মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন

 

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬

 

( ২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন )

 

 

                                                        [৮ অক্টোবর ২০০৬]   

      তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির আইনগত বৈধতা ও নিরাপত্তা প্রদান এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন

 

যেহেতুতথ্যও যোগাযোগ প্রযুক্তির আইনগত বৈধতা ও নিরাপত্তা প্রদান এবংআনুষঙ্গিকবিষয়াদি সম্পর্র্কে বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ-

  প্রথম অধ্যায়
প্রারম্ভিক সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, প্রয়োগ এবং প্রবর্তন

১৷ (১) এই আইন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ নামে অভিহিত হইবে৷

(২) সমগ্র বাংলাদেশে ইহার প্রয়োগ হইবে৷

(৩) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে৷

     সংজ্ঞা

২৷ বিষয় বা প্রসংগের পরিপন্থী কিছু না থাকিলে, এই আইনে-

(১) “ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর” অর্থ ইলেক্ট্রনিক আকারে কোন উপাত্ত, যাহা-

(ক) অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক উপাত্তের সহিত সরাসরি বা যৌক্তিক-ভাবে সংযুক্ত; এবং

(খ) কোন ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষরের প্রমাণীকরণ নিম্নবর্ণিত শর্তাদি পূরণক্রমে সম্পন্ন হয়-

(অ) যাহা স্বাক্ষরদাতার সহিত অনন্যরূপে সংযুক্ত হয়;

(আ) যাহা স্বাক্ষরদাতাকে সনাক্তকরণে সক্ষম হয়;

(ই) স্বাক্ষরদাতার নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে এমন নিরাপদ পন্থায় যাহার সৃষ্টি হয়; এবং

(ঈ) সংযুক্ত উপাত্তের সহিত উহা এমনভাবে সম্পর্কিত যে, পরবর্তীতে উক্ত উপাত্তে কোন পরিবর্তন সনাক্তকরণে সক্ষম হয়;

(২) “ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট” অর্থ ধারা ৩৬ এর অধীন ইস্যুকৃত কোন সার্টিফিকেট;

(৩) “ইলেকট্রনিক” অর্থ ইলেকট্রিক্যাল, ডিজিটাল, ম্যাগনেটিক, অয়্যারলেস, অপটিক্যাল, ইলেকট্রোম্যাগনেটিক বা তুলনীয় সক্ষমতা রহিয়াছে এইরূপকোনপ্রযুক্তি;

(৪) “ইলেক্ট্রনিক উপাত্ত বিনিময় (electronic data inter-change)” অর্থ তথ্য সংগঠিত করিবার উদ্দেশ্যে একটি স্বীকৃতমানদণ্ডঅনুসরণক্রমে কোন উপাত্ত এক কম্পিউটার হইতে অন্য কম্পিউটারেইলেক্ট্রনিকউপায়ে স্থানান্তর;

(৫) “ইলেক্ট্রনিক বিন্যাস (electronic form)” অর্থ কোন তথ্যের ক্ষেত্রে, কোন মিডিয়া, ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটারস্মৃতি (memory), মাইক্রোফিল্ম, কম্পিউটারেরপ্রস্তুতকৃত মাইক্রোফিচ বাঅনুরূপ অন্য কোন যন্ত্র বা কৌশলের মাধ্যমে কোনতথ্য সংরক্ষণ বা প্রস্তুত, গ্রহণ বা প্রেরণ;

(৬) “ইলেক্ট্রনিকগেজেট” অর্থ সরকার কর্তৃকমুদ্রিত ও প্রকাশিত সরকারী গেজেটের অতিরিক্তহিসাবে ইলেক্ট্রনিক আকারেপ্রকাশিত সরকারী গেজেট;

(৭) “ইলেক্ট্রনিকরেকর্ড” অর্থ কোন উপাত্ত, রেকর্ড বা উপাত্ত হইতে প্রস্তুতকৃত ছবি বাপ্রতিচ্ছবি বা শব্দ, যাহা কোনইলেক্ট্রনিক বিন্যাস, মাইক্রোফিল্ম বাকম্পিউটারে প্রস্তুতকৃত মাইক্রোফিচেসংরক্ষিত, গৃহীত বা প্রেরিত হইয়াছে;

(৮) “ইন্টারনেট” অর্থ এমন একটিআন্তর্জাতিক কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যাহার মাধ্যমেকম্পিউটার, সেলুলার ফোন বাঅন্য কোন ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতি ব্যবহারকারীগণবিশ্বব্যাপী একে অন্যের সহিতযোগাযোগ এবং তথ্যের আদান-প্রদান এবং ওয়েবসাইটে উপস্থাপিত তথ্যাবলী অবলোকনকরিতে সক্ষম হয়;

(৯) “ইলেক্ট্রনিকমেইল” অর্থ ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতেপ্রস্তুতকৃত এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমেপ্রেরিত বা প্রাপ্ত কোন মেইল এবংতত্সংশ্লিষ্ট কোন দলিলাদি;

(১০) “উপাত্ত” অর্থ কোন আনুষ্ঠানিকপদ্ধতিতে প্রস্তুত তথ্য, জ্ঞান, ঘটনা, ধারণাবা নির্দেশাবলী যাহা কম্পিউটারপ্রিন্ট আউট, ম্যাগনেটিক বা অপটিক্যালস্টোরেজ মিডিয়া, পাঞ্চকার্ড, পাঞ্চটেপসহ যে কোন আকারে বা বিন্যাসেকম্পিউটার সিস্টেম অথবা কম্পিউটারনেটওয়ার্কে প্রক্রিয়াজাত করা হইয়াছে, হইতেছে অথবা হইবে অথবা যাহাঅভ্যন্তরীণভাবে কোন কম্পিউটার স্মৃতিতেসংরক্ষিত;

(১১) “উপাত্ত-বার্তা (data message)” অর্থ ইলেকট্রনিক, অপটিক্যাল-সহ কোনইলেক্ট্রনিক উপাত্ত বিনিময়, ইলেক্ট্রনিক মেইল, টেলিগ্রাম, টেলেক্স, ফ্যাক্স, টেলিকপি, সর্ট মেসিজ (SMS) বা অনুরূপ কোন পদ্ধতিতেপ্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা সংরক্ষিত তথ্য;

(১২) “ওয়েবসাইট” অর্থ কম্পিউটারএবং ওয়েব সার্ভারে সংরক্ষিত ডকুমেন্ট এবং তথ্যসমূহ যাহাব্যবহারকারীইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্রাউজ বা অবলোকন করিতে পারে;

(১৩) “কম্পিউটার” অর্থ যে কোন ইলেকট্রনিক, ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল বা দ্রুতগতিরতথ্যপ্রক্রিয়াকরণ যন্ত্র বা সিস্টেম, যাহা ইলেকট্রনিক, ম্যাগনেটিক বাঅপটিক্যালইমপালস ব্যবহার করিয়া যৌক্তিক, গাণিতিক এবং স্মৃতি কার্যক্রমসম্পন্ন করে, এবং কোন কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সহিতসংযুক্ত এবংযাহাতে সকল ইনপুট, আউটপুট, প্রক্রিয়াকরণ, সঞ্চিতি (storage), কম্পিউটারসফটওয়ার বা যোগাযোগ সুবিধাদিও ইহার অন্তর্ভুক্ত থাকে;

(১৪) “কম্পিউটার নেটওয়ার্ক” অর্থ এমন এক ধরনের আন্তঃসংযোগ যাহা স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, টেরিিস্ট্রয়েল লাইন, অয়্যারলেস যন্ত্র, ওয়াইডএরিয়ানেটওয়ার্ক, লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক, ইনফ্রারেড, ওয়াই ফাই, ব্লুটূথ বাঅন্যকোন যোগাযোগের মাধ্যম বা কোন প্রান্ত্রিক (terminal) যন্ত্রপাতি বাদুই বাততোধিক কম্পিউটারের আন্তঃসংযোগ রহিয়াছে এমন কোন কমপ্লেক্স, যাহাতেআন্তঃসংযোগ নিরবচ্ছিন্নভাবে সংরক্ষণ করা হউক বা না হউক, এর মাধ্যমেদুই বাততোধিক কম্পিউটার বা ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে;

(১৫) “গ্রাহক” অর্থ যাহার নামে ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়;

(১৬) “চেয়ারম্যান” অর্থ ধারা ৮২ এর অধীন নিযুক্ত সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান;

(১৭) “দেওয়ানী কার্যবিধি” অর্থ Code of Civil Procedure, 1908 (Act V of 1908);

(১৮) “দণ্ডবিধি” অর্থ Penal Code, 1860 (Act XLV of 1860);

(১৯) “নির্ধারিত” অর্থ বিধি দ্বারা নির্ধারিত;

(২০) “নিরাপদ স্বাক্ষর সৃষ্টিকারী যন্ত্র বা কৌশল” অর্থ ধারা ১৭-তে বিধৃত শর্তাধীন কোন স্বাক্ষর সৃষ্টিকারী যন্ত্র বা কৌশল;

(২১) “নিয়ন্ত্রক” বা “উপ-নিয়ন্ত্রক” বা “সহকারী নিয়ন্ত্রক” অর্থ ধারা ১৮(১)এরঅধীন নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক, উপ-নিয়ন্ত্রক বা সহকারী নিয়ন্ত্রক;

(২২) “প্রাপক (addressee)” অর্থ উপাত্ত-বার্তার ক্ষেত্রে, প্রেরকেরইচ্ছানুসারেউপাত্ত-বার্তাপ্রাপ্ত ব্যক্তি, কিন্তু উপাত্ত-বার্তা যোগাযোগেরমাধ্যমহিসাবে কর্মরত কোন ব্যক্তি ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে না;

(২৩) “প্রমাণীকরণ” অর্থ স্বাক্ষরদাতা সনাক্তকরণে বা উপাত্ত-বার্তার শুদ্ধতা নিরূপণে ব্যবহৃত হয় এমন কোন প্রক্রিয়া;

(২৪) “প্রেরক (orginator)” অর্থ কোন উপাত্ত-বার্তার ক্ষেত্রে, কোনউপাত্ত-বার্তাযিনি প্রেরণ করেন বা সংরক্ষণের পূর্বে প্রস্তুতকারী ব্যক্তি, কিন্তুউপাত্ত-বার্তার যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিইহারঅন্তর্ভুক্ত হইবে না;

(২৫) “প্রবিধান” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান;

(২৬) “ফৌজদারী কার্যবিধি” অর্থ Code of Criminal Procedure, 1898 (Act No. V of 1898);

(২৭) “ব্যক্তি” শব্দের আওতায় কোন প্রাকৃতিক স্বত্তাবিশিষ্ট একক ব্যক্তি, অংশীদারী কারবার, সমিতি, কোম্পানী, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, সমবায়সমিতিঅন্তর্ভুক্ত;

(২৮) “বিচারক” অর্থ ধারা ৬৮ এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক;

(২৯) ” বিবিধ” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;

(৩০) “মাধ্যম” অর্থ কোন সুনির্দিষ্ট উপাত্ত-বার্তার ক্ষেত্রে, কোন ব্যক্তিযিনিঅন্য কোন ব্যক্তির পক্ষে কোন উপাত্ত-বার্তা প্রেরণ, গ্রহণ, অগ্রায়নবাসংরক্ষণ করেন বা উক্ত বার্তার বিষয়ে অন্য কোন সেবা প্রদান করেন;

(৩১) “লাইসেন্স” অর্থ ধারা ২২ এর অধীন প্রদত্ত লাইসেন্স;

(৩২) “সত্যায়ন সেবা প্রদানকারী” অর্থ সার্টিফিকেট ইস্যুকারী বাইলেক্ট্রনিকস্বাক্ষরের সহিত সম্পর্কিত অন্য কোন সেবা প্রদানকারী ব্যক্তি;

(৩৩) “সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ” অর্থ ধারা ১৮ এর সহিত পঠিতব্য ধারা২২এর অধীন ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট ইস্যু করিবারজন্যলাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ;

(৩৪) “সত্যায়নের রীতিওপদ্ধতির বিবরণ” অর্থ প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত সত্যায়নের রীতি ওপদ্ধতিরবিবরণ, যাহাতে ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট ইস্যু করিবার রীতিওপদ্ধতির বিবরণ লিপিবদ্ধ থাকে;

(৩৫) “সদস্য” অর্থ ধারা ৮২ এর অধীন গঠিত সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনালের সদস্য;

(৩৬) “স্বাক্ষরদাতা” অর্থ স্বাক্ষর প্রস্তুতকারী যন্ত্র বা কৌশলের মাধ্যমে স্বাক্ষর প্রদানকারী ব্যক্তি;

(৩৭) “স্বাক্ষর প্রতিপাদন যন্ত্র” অর্থ স্বাক্ষর যাচাইকরণে ব্যবহৃত সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার;

(৩৮) “স্বাক্ষর সৃষ্টিকারী যন্ত্র” অর্থ স্বাক্ষর সৃষ্টির উপাত্ত প্রস্তুতে ব্যবহৃত সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার;

(৩৯) “সাইবার ট্রাইব্যুনাল” বা “ট্রাইব্যুনাল” অর্থ ধারা ৬৮ এর অধীন গঠিত কোন সাইবার ট্রাইব্যুনাল;

(৪০) “সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল” অর্থ ধারা ৮২ এর অধীন গঠিত কোন সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল৷

     আইনের প্রাধান্য

৩৷ আপাতত বলবত্ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর হইবে৷

     আইনের অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগ

৪৷ (১) যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের বাহিরে এই আইনের অধীন কোন অপরাধ করেনযাহাবাংলাদেশে করিলে এই আইনের অধীন দণ্ডযোগ্য হইত, তাহা হইলে এই আইনএইরূপেপ্রযোজ্য হইবে যেন অপরাধটি তিনি বাংলাদেশেই করিয়াছেন৷

(২)যদি কোনব্যক্তি বাংলাদেশের বাহির হইতে বাংলাদেশে অবস্থিত কোন কম্পিউটার, কম্পিউটারসিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সাহায্যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরেএই আইনেরঅধীন কোন অপরাধ করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এইআইনেরবিধানাবলী এইরূপে প্রযোজ্য হইবে যেন উক্ত অপরাধের সম্পূর্ণপ্রক্রিয়াবাংলাদেশেই সংঘটিত হইয়াছিল৷

(৩) যদি কোন ব্যক্তিবাংলাদেশেরঅভ্যন্তর হইতে বাংলাদেশের বাহিরে এই আইনের অধীন কোন অপরাধ করেন, তাহা হইলেউক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের বিধানাবলী এইরূপে প্রযোজ্য হইবেযেন উক্তঅপরাধের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বাংলাদেশেই সংঘটিত হইয়াছিল৷

    দ্বিতীয় অধ্যায়
ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর ও ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর দ্বারা ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড সত্যায়ন

৫৷ (১) উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, কোন গ্রাহক তাহার ইলেক্ট্রনিকস্বাক্ষরসংযুক্ত করিয়া কোন ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড সত্যায়ন করিতে পারিবেন৷

(২)প্রযুক্তিনিরপেক্ষ পদ্ধতি বা স্বীকৃত স্বাক্ষর সৃষ্টিকারী যন্ত্র বা কৌশলপ্রয়োগেরমাধ্যমে ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডের সত্যায়ন কার্যকর করিতে হইবে৷

     ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডের আইনানুগ স্বীকৃতি

৬৷আপাততঃবলবত্ অন্য কোন আইনে কোন তথ্য বা অন্য কোন বিষয় হস্তাক্ষর, মুদ্রাক্ষর বাঅন্য কোনভাবে লিখিত বা মুদ্রিত আকারে লিপিবদ্ধ করিবার শর্তথাকিলে, উক্তআইনে অনুরূপ বিধান থাকা সত্ত্বেও উক্ত তথ্য বা বিষয়ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসেলিপিবদ্ধ করা যাইেবঃ

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত তথ্য বা বিষয়ে অভিগম্যতা থাকিতে হইবে, যাহাতে উহা বরাত হিসাবে পরবর্তীতে ব্যবহার করা যায়৷

     ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষরের আইনানুগ স্বীকৃতি

৭৷ আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে যদি এই মর্মে কোন বিধান বা শর্ত থাকে যে,-

(ক) কোন তথ্য বা অন্য কোন বিষয় স্বাক্ষর সংযুক্ত (affix) করিয়া সত্যায়ন করিতে হইবে; বা

(খ) কোন দলিল কোন ব্যক্তি কর্তৃক স্বাক্ষর করিয়া সত্যায়ন করিতে হইবে;

তাহাহইলে, উক্ত আইনে অনুরূপ বিধান থাকা সত্ত্বেও, নির্ধারিত পদ্ধতিতেইলেক্ট্রনিকস্বাক্ষর সংযুক্ত করিয়া উক্ত তথ্য বা বিষয় বা, ক্ষেত্রমত, উক্তদলিলসত্যায়ন করা যাইবে৷

     সরকারী অফিস, ইত্যাদিতে ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড এবং ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষরের ব্যবহার

৮৷ (১) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে যদি এই মর্মে কোন বিধান বা শর্ত থাকে যে,-

(ক)কোনসরকারী অফিস, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, বা সরকারের মালিকানা বানিয়ন্ত্রণাধীন কোনকর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কোন ফরম, আবেদন বা অন্য কোন দলিলকোন বিশেষ পদ্ধতিতেদাখিল করিতে হইবে;

(খ) কোন লাইসেন্স, পারমিট, মঞ্জুরী, অনুমোদন বা আদেশ, যেই নামেই অভিহিত হউক না কেন, কোন বিশেষ পদ্ধতিতে ইস্যু বা মঞ্জুর করিতে হইবে;

(গ) অর্থ লেনদেন কোন বিশেষ পদ্ধতিতে করিতে হইবে;

তাহাহইলে, উক্ত আইনে অনুরূপ বিধানথাকা সত্তেও, উক্তরূপ দলিল, ইস্যু, মঞ্জুরীবা, ক্ষেত্রমত, অর্থ লেনদেন নির্ধারিত ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে সম্পাদন করাযাইবে৷

(২)এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড দাখিল, প্রস্তুত বাইস্যুকরণের রীতি ও পদ্ধতিসহ উহা দাখিল, প্রস্তুত বা ইস্যুরজন্য প্রদেয় ফিসবা চার্জ প্রদান পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷

     ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড সংরক্ষণ

৯৷ (১) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে কোন দলিল, রেকর্ড বা তথ্য কোননির্দিষ্টসময়সীমা পর্যন্ত সংরক্ষণ করিবার কোন বিধান বা শর্ত থাকিলে, উক্তদলিল, রেকর্ড বা তথ্য, নিম্নবর্ণিত শর্তাদি পূরণ সাপেক্ষে, ইলেক্ট্রনিকপদ্ধতিতেওসংরক্ষণ করা যাইবে, যথাঃ-

(ক) প্রয়োজন অনুযায়ী উক্ত সংরক্ষিত তথ্যে অভিগম্যতা থাকিতে হইবে যাহাতে উহা বরাত হিসাবে পরবর্তীতে ব্যবহার করা যায়;

(খ)যেইরীতি ও পদ্ধতিতে ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড প্রথম সৃজিত, প্রেরিত বা গৃহীতহইয়াছেবা এমন রীতি ও পদ্ধতি যাহা নির্ভুলভাবে উক্ত তথ্য যেইভাবে সৃজিত, প্রেরিতবা গৃহীত হইয়াছিল তাহা প্রদর্শন করে সেই রীতি ও পদ্ধতিতেই উহাসংরক্ষণকরিতে হইবে;

(গ) ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডের উত্স ও গন্তব্যনির্ধারণ করাযায় এমন তথ্য, যদি থাকে, উহার প্রেরণ বা গ্রহণের তারিখ ও সময়সংরক্ষণেরব্যবস্থা রাখিতে হইেবঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কেবলইলেক্ট্রনিক রেকর্ডপ্রেরণ বা গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উদ্ভাবিতকোন তথ্যের ক্ষেত্রেএই উপ-ধারার কোন কিছুই প্রযোজ্য হইবে না৷

(২)উপ-ধারা (১) এ বর্ণিতশর্তাদি প্রতিপালন সাপেক্ষে, কোন ব্যক্তি অন্য কোনব্যক্তির সাহায্য গ্রহণকরিয়া উক্ত উপ-ধারার অধীন কার্যসম্পাদন করিতেপারিবেন৷

(৩) আপাততঃবলবত্ অন্য কোন আইনে বিধৃত পদ্ধতিতে কোন দলিল, রেকর্ড বা তথ্য সংরক্ষণকরিবার সুস্পষ্ট বিধান থাকিলে, উক্ত বিধানেরক্ষেত্রে এই ধারার কোন কিছুইপ্রযোজ্য হইবে না৷

     ইলেক্ট্রনিক গেজেট

১০৷আপাততঃবলবত্ অন্য কোন আইনে যদি এই মর্মে কোন বিধান বা শর্ত থাকে যে, কোনআইন বাঅন্য কোন আইনগত দলিলের অধীন প্রণীত কোন বিধি, প্রবিধান, আদেশ, উপ-আইন, প্রজ্ঞাপন বা অন্য কোন বিষয় সরকারী গেজেটে প্রকাশ করিতে হইবে, তাহাহইলেউক্ত আইন, বিধি, প্রবিধান, আদেশ, উপ-আইন, প্রজ্ঞাপন বা অন্য কোনবিষয়সরকারী গেজেট এবং তদতিরিক্ত ঐচ্ছিকভাবে ইলেক্ট্রনিক গেজেটেও প্রকাশকরাযাইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, কোন আইন, বিধি, প্রবিধান, আদেশ, উপ-আইন, প্রজ্ঞাপন বা অন্য কোন বিষয় সরকারী গেজেটে অথবা ইলেক্ট্রনিকগেজেটেপ্রকাশিত হইলে, উহা যেইরূপেই প্রকাশিত হউক না কেন, উহার প্রথমপ্রকাশিতহইবার তারিখ উক্ত গেজেট প্রকাশের তারিখ হিসাবে গণ্য হইবে৷

     ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে দলিল গ্রহণে বাধ্যবাধকতা না থাকা

১১৷এইআইনের কোন কিছুই সরকারের কোন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর বা কোন আইনের অধীনসৃষ্টকোন সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ বা সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত বাসরকারীঅর্থে প্রতিষ্ঠিত কোন কর্তৃপক্ষ বা সংস্থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতেকোন দলিলগ্রহণ, ইস্যু, প্রস্তুত, সংরক্ষণ বা ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে যে কোনপ্রকারআর্থিক লেনদেন করিতে বাধ্য করিবে না৷

     ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর বিষয়ে বিধি প্রণয়ন

১২৷এইআইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারী গেজেটে এবং তদতিরিক্তঐচ্ছিকভাবেইলেক্ট্রনিক গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, নিম্নবর্ণিত সকল বা যেকোন বিষয়েবিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে, যথাঃ-

(ক) ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষরের ধরণ;

(খ) ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সংযুক্ত করিবার রীতি ও পদ্ধতি;

(গ) ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সংযুক্তকারী ব্যক্তির পরিচয় সনাক্তকরণের পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া;

(ঘ)ইলেক্ট্রনিকপদ্ধতিতে রেকর্ড সংরক্ষণ এবং আর্থিক লেনদেন বিষয়ে পর্যাপ্তনিরাপত্তা ওগোপনীয়তা নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে উহার নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ওকার্যপ্রণালী;

(ঙ) ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষরকে আইনানুগভাবে কার্যকর করিবার উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়৷

    তৃতীয় অধ্যায়
ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডের স্বীকৃতি, প্রাপ্তি স্বীকার ও প্রেরণ স্বীকৃতি

১৩৷ (১) কোন প্রেরক স্বয়ং কোন ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড প্রেরণ করিয়া থাকিলে উক্ত রেকর্ডটি প্রেরকের হইবে৷

(২) প্রেরক এবং প্রাপকের মধ্যে কোন ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড প্রেরকের বলিয়া গণ্য হইবে, যদি উহা-

(ক) প্রেরকের পক্ষে উক্ত ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড বিষয়ে কাজ করিবার জন্য কর্তৃত্বপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কর্তৃক প্রেরণ করা হয়; বা

(খ) প্রেরক বা প্রেরকের পক্ষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনার জন্য প্রোগ্রামকৃত কোন তথ্য প্রেরণ কৌশলের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়৷

(৩)প্রেরকএবং প্রাপকের মধ্যে, কোন প্রাপক কোন ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডকে উহাপ্রেরণকারীকর্তৃক প্রেরণ করা হইয়াছে বলিয়া গণ্যক্রমে তদনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করিতেপারিবেন, যদি-

(ক) ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডটি প্রেরকের কি নাউহা নিশ্চিতহইবার জন্য প্রাপক, তদবিষয়ে প্রেরক কর্তৃক উক্ত উদ্দেশ্যেপূর্বে স্থিরীকৃতপদ্ধতিতে যথাযথ ব্যবস্থা বা অন্য কোন কার্যক্রম গ্রহণকরিয়া থাকেন; বা

(খ)প্রাপক কর্তৃক প্রাপ্ত তথ্য এমন কোন ব্যক্তিরগৃহীত ব্যবস্থা হইতে উদ্ভূতহইয়া থাকে যাহা প্রেরক বা প্রেরকের কোনএজেন্টের সহিত উক্ত ব্যক্তিরসম্পর্কের ভিত্তিতে তাহাকে প্রেরক কর্তৃকব্যবহৃত পদ্ধতিতে অভিগম্যের এইরূপসুযোগ প্রদান করা হইয়াছিল যে, সংশ্লিষ্টইলেক্ট্রনিক রেকর্ডটি যে তাহার উহাসনাক্ত করা যায়৷

(৪) উপ-ধারা (৩) এর বিধান নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না-

(ক)ইলেক্ট্রনিকরেকর্ডটি প্রেরকের নহে মর্মে প্রেরক কর্তৃক প্রদত্ত নোটিশপ্রাপক কর্তৃকপ্রাপ্তির এবং তদনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যুক্তিসঙ্গতসময় অতিবাহিতহইবার পরবর্তী সময় হইতে;

(খ) উপ-ধারা (৩) এর দফা (খ) এউল্লিখিতক্ষেত্রে, প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বন বা পূর্বে স্থিরীকৃতপদ্ধতি ব্যবহারকরিয়া যে সময় হইতে প্রাপক অবগত হইয়াছেন বা তাহার অবগত হওয়াউচিত ছিলযেইলেক্ট্রনিক রেকর্ডটি প্রেরকের নহে;

(গ) যদি, পারিপার্শ্বিক সকলপরিস্থিতি বিবেচনা, প্রেরিত ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডটিপ্রেরকের বলিয়া মনে করাএবং উহার ভিত্তিতে কোন কার্য-সম্পাদন প্রাপকের জন্যএকেবারেই অযৌক্তিক হইয়াথাকে৷

(৫) যদি কোন ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডপ্রেরকের হইয়া থাকে বাপ্রেরকের বলিয়া গণ্য হইয়া থাকে বা প্রাপক উক্তরূপধারণার ভিত্তিতে কোনকার্য-সম্পাদন করিতে অধিকারী হইয়া থাকেন, তাহা হইলে, প্রেরক এবং প্রাপকেরক্ষেত্রে, ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডটি যেভাবে প্রেরণ করাপ্রেরকের উদ্দেশ্য ছিলসেইভাবেই উহা প্রাপক কর্তৃক গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্যহইবে এবং তদনুসারেপ্রাপক কার্য-সম্পাদন করিতে পারিবেন৷

(৬)উপ-ধারা (৫) এ যাহা কিছুইথাকুক না কেন, যদি যুক্তিসংগত সতর্কতা অবলম্বনকরিয়া ও স্বীকৃত পদ্ধতিব্যবহার করিয়া প্রাপক যদি এই মর্মে অবগত হন বাঅনুরূপ অবগত হওয়া সমীচীন হয়যে, প্রাপ্ত ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডে কোনসম্প্রচারজনিত ত্রুটি রহিয়াছে, তাহাহইলে উহা যেভাবে প্রেরণ করা প্রেরকেরউদ্দেশ্য ছিল সেইভাবেই প্রাপক কর্তৃকগৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য করা যাইবেনা৷

(৭) প্রাপক প্রাপ্ত প্রত্যেকইলেক্ট্রনিক রেকর্ডকে একটিস্বতন্ত্র ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড হিসাবেবিবেচনাক্রমে উহার ভিত্তিতেকার্য-সম্পাদন করিতে পারিবেন, তবে উহানিম্নবর্ণিত ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডেরক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যথাঃ-

(ক) প্রাপক কর্তৃক প্রস্তুতকৃত অন্য ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডের প্রতিলিপি; এবং

(খ)ইলেক্ট্রনিকরেকর্ডটি যে একটি প্রতিলিপি এই সম্পর্কে প্রাপক পূর্ব হইতেইজ্ঞাত ছিলেন বাযুক্তিসংগত সতর্কতা অবলম্বন বা স্বীকৃত পদ্ধতি ব্যবহারকরিয়া তাহার জানাউচিত ছিল যে, ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডটি একটি প্রতিলিপি৷

     প্রাপ্তি স্বীকার

১৪৷ (১) যেইক্ষেত্রে কোন ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড প্রেরণের সময় বা উহাপ্রেরণেরপূর্বে বা উক্ত ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডের মাধ্যমে প্রেরক কর্তৃকপ্রাপককেঅনুরোধ জ্ঞাপন করা হইয়াছে বা প্রাপকের সহিত ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিতহইয়াছে যে, প্রাপক কর্তৃক ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড প্রাপ্তির বিষয়ে প্রাপ্তিস্বীকার করিতেহইবে, সেইক্ষেত্রে উপ-ধারা (২), (৩) ও (৪) এর বিধানসমূহপ্রযোজ্য হইবে৷

(২)প্রেরক ও প্রাপক কোন বিশেষ ছকে বা পদ্ধতিতেপ্রাপ্তি স্বীকার করা হইবেমর্মে পূর্বে সম্মত না হইলে, নিম্নবর্ণিতপদ্ধতিতে প্রাপ্তি স্বীকার করাযাইবে-

(ক) প্রাপক কর্তৃক স্বয়ংক্রিয় বা অন্য কোনভাবে যোগাযোগের মাধ্যমে; বা

(খ) প্রাপকের এমন কোন কর্মকান্ড যাহা দ্বারা প্রেরকের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডটি প্রাপক পাইয়াছেন৷

(৩)কোনইলেক্ট্রনিক রেকর্ড প্রাপ্তি বিষয়ে প্রেরক কর্তৃক প্রাপ্তি স্বীকারেরশর্তআরোপ করা হইলে, উক্ত শর্তানুযায়ী প্রাপক কর্তৃক প্রাপ্তি স্বীকার নাকরাপর্যন্ত প্রেরক কর্তৃক উক্ত ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডে কখনো প্রেরিত হইয়াছেবলিয়াগণ্য হইবে না৷

(৪) প্রেরক কর্তৃক কোন ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডপ্রাপ্তিবিষয়ে প্রাপ্তি স্বীকারের কোন শর্ত আরোপ না করা হইলে এবং প্রেরককর্তৃকনির্দিষ্ট বা স্থিরীকৃত সময়ের মধ্যে প্রেরক প্রাপ্তি স্বীকারপ্রাপ্ত নাহইলে, বা অনুরূপ কোন সময় নির্দিষ্ট বা স্থিরীকৃত না থাকিলে, প্রেরকযুক্তিসংগত সময়ের মধ্যে,-

(ক) প্রাপ্তি স্বীকার করেন নাইমর্মেপ্রাপককে নোটিশ প্রদান করিতে পারিবেন, এবং উক্ত নোটিশে প্রাপ্তিস্বীকারকরিবার যুক্তিসংগত সময় সীমার উল্লেখ থাকিবে; এবং

(খ) দফা (ক) এউল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে প্রাপ্তি স্বীকার করা না হইলে, প্রেরক, প্রাপককেনোটিশ প্রদান সাপেক্ষে, উক্ত ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডটি কখনও প্রেরণকরা হয় নাইবলিয়া গণ্য করিতে পারিবেন৷

(৫) যেক্ষেত্রে প্রেরকপ্রাপকের নিকটহইতে প্রাপ্তি স্বীকার প্রাপ্ত হন, সেইক্ষেত্রে ইহা অনুমানকরিতে হইবে যে, সংশ্লিষ্ট ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডটি প্রাপক প্রাপ্ত হইয়াছেন, তবে উহার দ্বারাএইরূপ অনুমান করা যাইবে না যে, ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডেরবিষয়বস্তু প্রাপ্তরেকর্ডের অনুরূপ৷

(৬) যেক্ষেত্রে কোন প্রাপ্তিস্বীকারে উল্লেখ থাকেযে, সংশ্লিষ্ট ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডে সম্মত অথবাপ্রযোজ্য মানদন্ডেরপ্রযুক্তিগত আবশ্যকতা পূরণ করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে ইহাঅনুমান করিতে হইবেযে, উক্ত আবশ্যকতা পূরণক্রমেই উহা প্রেরণ করা হইয়াছিল৷

     ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড প্রেরণ ও গ্রহণের সময় এবং স্থান

১৫৷ (১) প্রেরক এবং প্রাপক ভিন্নভাবে সম্মত না হইলে,-

(ক)কোনইলেক্ট্রনিক রেকর্ড প্রেরকের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কোন কম্পিউটারবাইলেক্ট্রনিক যন্ত্র বা কৌশলে প্রবেশ করিবার সঙ্গে সঙ্গে উক্তরেকর্ডপ্রেরণের সময় গণনা করা হইবে;

(খ) কোন ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড প্রাপ্তির সময় নিম্নবর্ণিতরূপে নির্ধারিত হইবে, যথাঃ-

(অ)ইলেক্ট্রনিকরেকর্ড গ্রহণ করিবার উদ্দেশ্যে প্রাপক কর্তৃক কোন ইলেক্ট্রনিকযন্ত্র বাকৌশল নির্ধারণ বা রেকর্ডটি উন্মুক্ত করিবার ক্ষেত্রে,-

(১) ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডটি যে সময়ে উক্ত নির্ধারিত ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র বা কৌশলে প্রবেশ করে; বা

(২)ইলেক্ট্রনিকরেকর্ডটি প্রাপক কর্তৃক নির্ধারিত ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র বা কৌশলব্যতীত অন্যকোন অনির্ধারিত যন্ত্র বা কৌশল বা কম্পিউটার উত্সে প্রেরণ করাহইলে, প্রাপককর্তৃক যে সময় উক্ত রেকর্ড উন্মুক্ত করা হয়;

(আ) যদিপ্রাপকসুনির্দিষ্ট সময়সূচীসহ, যদি থাকে, কোন ইলেক্ট্রনিক কৌশল নির্ধারণ নাকরিয়াথাকেন, তাহা হইলে ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডটি প্রাপকের কম্পিউটার উত্সেপ্রবেশকরিবার সময়৷

(গ) কোন ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড প্রেরক কর্তৃকপ্রেরণেরক্ষেত্রে, উহা তাহার ব্যবসায়ের স্থান হইতে প্রেরণ করা হইয়াছেবলিয়া গণ্যহইবে এবং উক্ত রেকর্ড প্রাপক কর্তৃক গৃহীত হইবার ক্ষেত্রে উহাতাহারব্যবসায়ের স্থানে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে৷

(২)ইলেক্ট্রনিকযন্ত্র বা কৌশল বা কম্পিউটার উত্সের স্থান উপ-ধারা (১)(গ) এরঅধীনইলেক্ট্রনিক রেকর্ড গৃহীত বলিয়া গণ্য হইবার স্থান হইতে ভিন্ন হওয়াসত্ত্বেওউপ-ধারা (১)(খ) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে৷

(৩) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে,-

(ক)প্রেরকের বা প্রাপকের ব্যবসায়ের স্থান একাধিক হইবার ক্ষেত্রে, তাহাদেরপ্রধান ব্যবসায়ের স্থানটি ব্যবসায়ের স্থান হিসাবে গণ্য হইবে;

(খ)প্রেরকবা প্রাপকের কোন ব্যবসায়ের স্থান না থাকিবার ক্ষেত্রে, তাহাদেরসচরাচরবসবাসের স্থানই তাহাদের ব্যবসায়ের স্থান হিসাবে গণ্য হইবে৷

ব্যাখ্যাঃকোনসংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা নিগমিত সংস্থার ক্ষেত্রে, “প্রধান ব্যবসায়েরস্থান”, বা “সচরাচর বসবাসের স্থান” অর্থে উহার নিবন্ধীকরণের ঠিকানাকেবুঝাইবে৷

    চতুর্থ অধ্যায়
নিরাপদ ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড ও নিরাপদ ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর নিরাপদ ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড

১৬৷যদিকোন নির্দিষ্ট সময়ে কোন ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডের জন্য কোন নিরাপত্তাপদ্ধতিগ্রহণ করা হয়, তাহা হইলে উক্ত রেকর্ডটি উক্ত সময় হইতে যাচাই করারসময়পর্যন্ত নিরাপদ ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড বলিয়া গণ্য হইবে৷

     নিরাপদ ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর

১৭৷ (১) সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের সম্মতিতে কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োগেরমাধ্যমেযদি যাচাই করা যায় যে, ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সংযুক্ত করিবার সময়-

(ক) উহা সংযুক্তকারীর একান্তই নিজস্ব ছিল;

(খ) সংযুক্তকারীকে সনাক্ত করিবার সুযোগ ছিল; এবং

(গ) উহা তৈরির পদ্ধতি বা ব্যবহারের উপর সংযুক্তকারীর একক নিয়ন্ত্রণ ছিল;

তাহা হইলে, উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, উক্ত ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর একটি নিরাপদ ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর হিসাবে গণ্য হইবে৷

(২)উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষরটি অকার্যকর বলিয়াগণ্য হইবেযদি ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষরের সহিত সম্পর্কযুক্ত ইলেক্ট্রনিকরেকর্ডটিরকোনরূপ পরিবর্তন সাধন করা হয়৷

    পঞ্চম অধ্যায়
নিয়ন্ত্রক ও সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ [ নিয়ন্ত্রক ও অন্যান্য কর্মকর্তা, ইত্যাদি]

১৮।[ (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত, সরকারী গেজেটে এবং তদ্তিরিক্ত ঐচ্ছিকভাবে ইলেকট্রনিক গেজেটেপ্রজ্ঞাপনদ্বারা, প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে, একজন নিয়ন্ত্রক এবংপ্রয়োজনীয়সংখ্যক উপ-নিয়ন্ত্রক ও সহকারী নিয়ন্ত্রক নিয়োগ করিবে :

তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ প্রজ্ঞাপনের মেয়াদ প্রজ্ঞাপন জারীর তারিখ হইতে এক বৎসরের অধিক হইবে না।]

     নিয়ন্ত্রকের কার্যাবলী

১৯৷ নিয়ন্ত্রক নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন কার্য-সম্পাদন করিবেন, যথাঃ-

(ক) সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের কার্যাবলীর তত্ত্বাবধান;

(খ) সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুসরণীয় মানদন্ড নির্ধারণ;

(গ) সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের কর্মচারীগণের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা নির্ধারণ;

(ঘ) সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের কার্য পরিচালনার শর্তাবলী নির্ধারণ;

(ঙ)ইলেক্ট্রনিকস্বাক্ষর প্রত্যয়নের বিষয়ে ব্যবহৃত হইতে পারে এইরূপ লিখিত, ছাপানো অথবাদৃশ্যমান কোন বিষয়বস্তু বা বিজ্ঞাপনে অন্তর্ভুক্ত বিষয়াদিনির্ধারণ;

(চ) ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট ফরম ও উহাতে অন্তর্ভুক্ত বিষয়াদি নির্ধারণ;

(ছ) সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের হিসাব সংরক্ষণের ছক ও পদ্ধতি নির্ধারণ;

(জ) সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে নিরীক্ষক নিয়োগের শর্তাবলী এবং তাহাদের সম্মানী নির্ধারণ;

(ঝ)কোনসার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ এককভাবে বা অন্য কোনসার্টিফিকেটপ্রদানকারী কর্তৃপক্ষের সহিত যৌথভাবে ইলেক্ট্রনিক সিস্টেমস্থাপনের সুবিধাপ্রদান এবং উক্ত সিস্টেম পরিচালনার নীতি নির্ধারণ;

(ঞ) কার্য পরিচালনা বিষয়ে গ্রাহক ও সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের আচরণ বিধি নির্ধারণ;

(ট) সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ ও গ্রাহকের মধ্যকার স্বার্থের বিরোধ নিষ্পত্তি;

(ঠ) সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য ও দায়িত্ব নির্ধারণ;

(ড) কম্পিউটারজাত উপাত্ত-ভান্ডার সংরক্ষণ, যাহাতে-

(অ) প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত তথ্যাবলীসহ প্রত্যেক সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত থাকিবে; এবং

(‌আ) জনগণের প্রবেশাধিকারের নিশ্চয়তা থাকিবে;

(ঢ) এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধির অধীন অন্য কোন কার্য-সম্পাদন৷

     বিদেশী সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে স্বীকৃতি

২০৷ (১) প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে, সরকারেরপূর্বানুমোদনক্রমেএবং সরকারী গেজেটে ও তদতিরিক্ত ঐচ্ছিকভাবে ইলেক্ট্রনিকগেজেটে প্রকাশিতপ্রজ্ঞাপন দ্বারা, নিয়ন্ত্রক বিদেশী কোন সার্টিফিকেটপ্রদানকারীকর্তৃপক্ষকে এই আইনের অধীন একটি সার্টিফিকেট প্রদানকারীকর্তৃপক্ষ হিসাবেস্বীকৃতি প্রদান করিতে পারিবে৷

(২) উপ-ধারা (১) এরঅধীন কোন বিদেশীকর্তৃপক্ষকে সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ হিসাবেস্বীকৃতি প্রদান করাহইলে, উক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত ইলেক্ট্রনিকস্বাক্ষর সার্টিফিকেট এইআইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বৈধ হইবে৷

(৩)নিয়ন্ত্রক যদি এই মর্মেসন্তুষ্ট হন যে, কোন সার্টিফিকেট প্রদানকারীকর্তৃপক্ষ উপ-ধারা (১) এর অধীনআরোপিত যে শর্তের অধীন স্বীকৃতিপ্রাপ্তহইয়াছে উহার কোন শর্ত লঙ্ঘনকরিয়াছে, তাহা হইলে তিনি, লিখিতভাবে কারণলিপিবদ্ধ করিয়া, সরকারী গেজেটেএবং তদতিরিক্ত ঐচ্ছিকভাবে ইলেক্ট্রনিকগেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত কর্তৃপক্ষকে প্রদত্ত স্বীকৃতিবাতিল করিতে পারিবেন৷

     নিয়ন্ত্রকের সংরক্ষণাধার (repository) হিসাবে দায়িত্ব পালন

২১৷ (১) নিয়ন্ত্রক এই আইনের অধীন ইস্যুকৃত সকল ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেটের সংরক্ষণাধার হইবেন৷

(২)নিয়ন্ত্রকসকল ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষরের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরিবেন, এবংতজ্জন্য তিনি এমন হার্ডওয়ার, সফটওয়ার এবং অন্য কোন নিরাপদপদ্ধতি ব্যবহারকরিবেন যাহাতে ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষরের অপব্যবহার ও উহাতেঅবাঞ্ছিত প্রবেশরোধ করা যায় এবং একটি নির্ধারিত মানদন্ড অনুসরণ করিবেন৷

     ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট ইস্যুরজন্য লাইসেন্স

২২৷ (১) উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, যে কোন ব্যক্তি ইলেক্ট্রনিকস্বাক্ষরসার্টিফিকেট ইস্যু করিবার লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য নিয়ন্ত্রকেরনিকট আবেদনকরিতে পারিবেন৷

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন লাইসেন্সইস্যু করাযাইবে না, যদি আবেদনকারীর নির্ধারিত যোগ্যতা, দক্ষতা, জনবল, আর্থিক সঙ্গতিএবং ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট ইস্যু করিবার জন্যনির্ধারিতঅন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধাদি না থাকে৷

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন ইস্যুকৃত লাইসেন্স-

(ক) নির্ধারিত মেয়াদ পর্যন্ত বৈধ থাকিবে;

(খ) নির্ধারিত শর্তাদি প্রতিপালন সাপেক্ষে প্রদান করিতে হইবে; এবং

(গ) উত্তরাধিকারের মাধ্যমে অর্জন বা অন্য কোনভাবে হস্তান্তরযোগ্য হইবে না৷

     লাইসেন্সের জন্য আবেদন

২৩৷ (১) লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন দাখিল করিতে হইবে৷

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রতিটি আবেদনের সহিত নিম্নবর্ণিত দলিল ও কাগজাদি সংযোজন করিতে হইবে-

(ক) প্রত্যয়নপত্র প্রদান বিষয়ে অনুসরণীয় রীতি ও পদ্ধতির বিবরণ (Certification practice statement);

(খ) আবেদনকারীর পরিচয় নির্ধারণ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র;

(গ) নির্ধারিত ফিস জমাকরণের প্রমাণপত্র;

(ঘ) নির্ধারিত অন্যান্য তথ্য, দলিল ও কাগজপত্র৷

     লাইসেন্স নবায়ন

২৪৷এইআইনের অধীন ইস্যুকৃত লাইসেন্স নির্ধারিত পদ্ধতিতে ফিস প্রদান সাপেক্ষে, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত মেয়াদের জন্য নবায়নযোগ্য হইবে৷

     লাইসেন্স মঞ্জুর বা অগ্রাহ্য করিবার প্রক্রিয়া

২৫৷ধারা২২(১) এর অধীন আবেদনপ্রাপ্তির পর নিয়ন্ত্রক উক্ত আবেদনের সহিতসংযুক্ততথ্য, দলিলাদি ও কাগজপত্র এবং তদকর্তৃক যথাযথ বলিয়া বিবেচিত অন্যযে কোনবিষয় বিবেচনাক্রমে লাইসেন্স মঞ্জুর বা কোন আবেদন বাতিল বা নামঞ্জুরকরিতেপারিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারীকে শুনানীর যুক্তিসংগত সুযোগ না দিয়া কোন আবেদন বাতিল বা নামঞ্জুর করা যাইবে না৷

     লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিতকরণ

২৬৷ (১) এই আইনের অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, নিয়ন্ত্রক যে কোন লাইসেন্সস্থগিতবা বাতিল করিতে পারিবেন, যদি তিনি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, সার্টিফিকেটপ্রদানকারী কর্তৃপক্ষ-

(ক) লাইসেন্স ইস্যু বা নবায়ন করিবার বিষয়ে ভুল বা অসত্য তথ্য প্রদান করিয়াছে;

(খ) লাইসেন্সে শর্তাবলী পালনে ব্যর্থ হইয়াছে;

(গ) ধারা ২১ (২) এর অধীন নির্ধারিত মানদণ্ড বজায় রাখিতে ব্যর্থ হইয়াছে;

(ঘ) এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি, প্রবিধান বা আদেশের কোন বিধান লঙ্ঘন করিয়াছে৷

(২)উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন লাইসেন্স বাতিলের বিষয়ে সার্টিফিকেটপ্রদানকারীকর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শাইবার যুক্তিসংগত সুযোগ প্রদান না করিয়াএই ধারারঅধীন কোন লাইসেন্স বাতিল করা যাইবে না৷

(৩) নিয়ন্ত্রকেরযদি বিশ্বাসকরিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনলাইসেন্সবাতিলের কারণ উদ্ভূদ হইয়াছে, তাহা হইলে তিনি আদেশ দ্বারা, তদকর্তৃকনির্দেশিত তদন্ত সম্পন্ন্ন হওয়া পর্যন্ত উক্ত লাইসেন্স সাময়িকভাবেস্থগিতকরিতে পারিবেন৷

(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন কোন লাইসেন্স সাময়িকস্থগিতআদেশের বিষয়ে সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে কারণদর্শানোরযুক্তিসংগত সুযোগ প্রদান না করিযা কোন লাইসেন্স ১৪ (চৌদ্দ) দিনেরঅধিকমেয়াদের জন্য সাময়িকভাবে স্থগিত করা যাইবে না৷

(৫) এই ধারারঅধীনকোন সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের লাইসেন্স সাময়িকভাবে স্থগিতকরাহইলে উক্ত কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স স্থগিত থাকাকালীন মেয়াদে কোনইলেক্ট্রনিকস্বাক্ষর সার্টিফিকেট ইস্যু করিতে পরিবে না৷

     লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিতের নোটিশ

২৭৷ (১) কোন সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের লাইসেন্স বাতিল বাসাময়িকভাবেস্থগিত করা হইলে, নিয়ন্ত্রক তদকর্তৃক সংরক্ষিত উপাত্ত-ভান্ডারেউক্ত বাতিলবা, ক্ষেত্রমত, সাময়িক স্থগিত আদেশের নোটিশ প্রকাশ করিবেন৷

(২)একাধিকসংরক্ষণাধার থাকিবার ক্ষেত্রে, বাতিল বা, ক্ষেত্রমত, সাময়িকভাবেস্থগিতআদেশের নোটিশ উক্ত সকল সংরক্ষণাধারে প্রকাশ করিতে হইবেঃ

তবেশর্তথাকে যে, উক্তরূপ বাতিল বা, ক্ষেতমত, সাময়িকভাবে স্থগিতআদেশেরনোটিশসম্বলিত উপাত্ত-ভান্ডার ওয়েবসাইটসহ ইলেক্ট্রনিক বা অন্য কোনমাধ্যমেসর্বসাধারণের জন্য সার্বক্ষণিক প্রাপ্তিসাধ্য করিতে হইবে৷

     ক্ষমতা অর্পণ

২৮৷নিয়ন্ত্রকএই আইনের অধীন তাহার যে কোন ক্ষমতা লিখিতভাবে উপ-নিয়ন্ত্রক, সহকারীনিয়ন্ত্রক বা তাহার নিয়ন্ত্রণাধীন অন্য কোন কর্মকর্তাকে অর্পণকরিতেপারিবেন৷

     তদন্তের ক্ষমতা

২৯৷ (১)নিয়ন্ত্রক বা তদকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত বা তাহারনিয়ন্ত্রণাধীনযে কোন কর্মকর্তা এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানেরকোন বিধানলংঘনের তদন্ত করিতে পারিবেন৷

(২) উপ-ধারা (১) এরউদ্দেশ্যপূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত বিষয়ে, নিয়ন্ত্রক বা উক্ত কর্মকর্তাদেওয়ানীকার্যবিধির অধীন দেওয়ানী আদালতের ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবেন, যথাঃ

(ক) উদঘাটন এবং পরিদর্শন;

(খ) কোন ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং তাহাকে শপথের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ করা;

(গ) কোন দলিল উপস্থাপনে বাধ্য করা; এবং

(ঘ) কমিশনে কোন সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ বা পরীক্ষা করা৷

     কম্পিউটার এবং উহাতে ধারণকৃত উপাত্তে প্রবেশ

৩০৷ (১) ধারা ৪৫ এর বিধান ক্ষুন্ন না করিয়া, নিয়ন্ত্রক বা তাহার নিকটহইতেক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তির যদি যুক্তিসংগত কারণে এই আইন বা তদধীনপ্রণীতবিধি বা প্রবিধানের কোন বিধান লংঘিত হইয়াছে বলিয়া সন্দেহ হয়, তাহাহইলেতদন্ত করিবার স্বার্থে তিনি কোন কম্পিউটার সিস্টেমে ধারণকৃতবাপ্রাপ্তিসাধ্য কোন তথ্য বা উপাত্ত সংগ্রহ করিবার উদ্দেশ্যে উক্তকম্পিউটারসিস্টেম বা কোন যন্ত্রপাতি বা উপাত্ত বা উক্ত সিস্টেমের সহিতসংশ্লিষ্টঅন্য কোন বিষয়বস্তুতে প্রবেশ করিতে পরিবেন৷

(২) উপ-ধারা (১) এরউদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিয়ন্ত্রক বা তদকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনব্যক্তি, আদেশ দ্বারা, কোন কম্পিউটার সিস্টেম, যন্ত্রপাতি, উপাত্ত বাবিষয়বস্তুরপরিচালনা বা তত্ত্বাবধানকারী ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় যে কোনপ্রযুক্তিগত এবংঅন্যান্য সহযোগিতা প্রদান করিবার নির্দেশ প্রদান করিতেপারিবেন৷

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন নির্দেশ প্রদান করা হইলে নির্দেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি উক্ত নির্দেশানুসারে সহযোগিতা করিতে বাধ্য থাকিবেন৷

     কতিপয় বিষয়ে সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুসরণীয় বিধান

৩১৷ প্রত্যেক সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ-

(ক) অনধিকার প্রবেশ ও অপব্যবহার রোধের উদ্দেশ্যে নিরাপদ হার্ডওয়ার, সফটওয়ার এবং যথাযথ প্রক্রিয়া ব্যবহার করিবে;

(খ) এই আইনের অধীন কার্যসম্পাদনের উদ্দেশ্যে যুক্তিসঙ্গতভাবে প্রয়োজনীয় মানের নির্ভরযোগ্য সেবা প্রদান করিবে;

(গ) ইলেক্ট্রনিক স্বাতগরের গোপনীয়তা এবং একান্ত্মতা নিশ্চিত করিবার জন্য যথাযথ নিরাপত্তা পদ্ধতি অনুসরণ করিবে; এবং

(ঘ) প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য মানদণ্ড অনুসরণ করিবে৷

     সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আইন, ইত্যাদির, প্রতিপালন নিশ্চিতকরণ

৩২৷প্রত্যেকসার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপতগ তদকর্তৃক নিযুক্ত বা অন্যকোনভাবে নিয়োজিতপ্রত্যেক ব্যক্তি এই আইনের অধীন স্বীয় কার্যসম্পাদন ওদায়িত্ব পালনকালে এইআইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের বিধানসমূহেরপ্রতিপালন নিশ্চিতকরিবে৷

     লাইসেন্স প্রদর্শন

৩৩৷প্রত্যেকসার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপতগ উহার ব্যবসায় পরিচালনার স্থানেরকোনপ্রকাশ্য স্থানে উহার লাইসেন্স সংশিস্্নষ্ট সকলের অবলোকনের জন্যপ্রদর্শনকরিবে৷

     লাইসেন্স সমর্পণ

৩৪৷এই আইনেরঅধীন কোন লাইসেন্স বাতিল বা, তেগত্রমত, স্থগিত করা হইলে উক্তবাতিল বা, তেগত্রমত, স্থগিতকরণের পর অনতিবিলম্বে সংশিস্্নষ্ট সার্টিফিকেটপ্রদানকারীকর্র্তৃপতগ উক্ত লাইসেন্স নিয়ন্ত্রকের নিকট সমর্পণ করিবে৷

     কতিপয় বিষয় প্রকাশ করা

৩৫৷ (১) সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপতগ, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি প্রকাশ করিবে, যথাঃ-

(ক)অন্যইলেক্ট্রনিক স্বাতগর সার্টিফিকেট বৈধ করিবার জন্য সার্টিফিকেটপ্রদানকারীকর্তৃপতগ কর্তৃক ব্যবহৃত ইলেক্ট্রনিক স্বাতগর সার্টিফিকেট;

(খ) সার্টিফিকেট প্রদানের বিষয়ে অনুসৃত রীতি ও পদ্ধতির বিবরণ;

(গ) সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপতেগর সার্টিফিকেট বাতিল বা স্থগিতের নোটিশ, যদি থাকে; এবং

(ঘ)সার্টিফিকেটপ্রদানকারী কর্তৃপতগ কর্তৃক ইসুযুকৃত ইলেক্ট্রনিক স্বাতগরসার্টিফিকেটেরবিশ্বাসযোগ্যতা বা উহার সেবা প্রদানের সামর্থ সম্পর্কে বিরূপপ্রতিক্রিয়াসৃষ্টি হইতে পারে এমন অন্য কোন তথ্য৷

(২) যদি এমন কোনঘটনা ঘটে বাএমন কোন পরিস্থিতির উদ্ভব হয় যাহাতে সার্টিফিকেট প্রদানকারীকর্তৃপতেগরনিকট প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত কর্তৃপতেগর কম্পিউটারসিস্টেমেরবিশ্বাসযোগ্যতায় বিরূপ অবস্থার সৃষ্টি হইয়াছে বা উক্তকর্তৃপক্ষকে প্রদত্তইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেটের শর্তের ব্যত্যয়ঘটিয়াছে, তাহা হইলেউক্ত কর্তৃপক্ষ উক্ত ঘটনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হইতে পারেএমন সকল ব্যক্তিকেঅবহিত করিবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে বা উক্তপরিস্থিতির মোকাবিলারজন্য সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য অনুসৃত রীতি ওপদ্ধতির আলোকে প্রয়োজনীয়ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে৷

     সার্টিফিকেট ইস্যুকরণ

৩৬৷নিম্নবর্ণিতবিষয়াদি সম্পর্কে নিশ্চিত হইলে, সার্টিফিকেট প্রদানকারীকর্তৃপক্ষ কোনসম্ভাব্য গ্রাহককে সার্টিফিকেট ইস্যু করিতে পারিবে, যথাঃ-

(ক) সার্টিফিকেট ইস্যুর জন্য আবেদনকারী গ্রাহক কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে আবেদন দাখিল করা হইয়াছে কি না;

(খ) আবেদনকারী গ্রাহকের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়াসহ উক্ত বিষয়ে অনুসরণীয় রীতি ও পদ্ধতি প্রতিপালিত হইয়াছে কি না;

(গ) আবেদনকারী গ্রাহক ইস্যুতব্য সার্টিফিকেটের জন্য একজন তালিকাভুক্ত ব্যক্তি কি না;

(ঘ) ইস্যুতব্য সার্টিফিকেটের জন্য আবেদনকারী গ্রাহক প্রদত্ত সকল তথ্য সঠিক আছে কি না; এবং

(ঙ) সার্টিফিকেট ইসু্য করিবার জন্য নির্ধারিত ফিস উক্ত গ্রাহক কর্তৃক প্রদান করা হইয়াছে কি না।

     সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিশ্চয়তা প্রদান

৩৭৷ (১) সার্টিফিকেটে বর্ণিত ইলেক্ট্রনিক স্বাতগর বা সার্টিফিকেটেরউপরযুক্তিসঙ্গতভাবে আস্থাবান যে কোন ব্যক্তিকে, সার্টিফিকেটপ্রদানকারীকর্তৃপতগ সার্টিফিকেট ইস্যু করিবার সময় এই মর্মে নিশ্চয়তাপ্রদান করিবে যেউক্ত কর্তৃপতগ সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য অনুসরণীয় রীতি ওপদ্ধতিপ্রতিপালনে সার্টিফিকেট ইস্যু করিয়াছে, অথবা উক্ত বিষয়ে আস্থাবানব্যক্তিঅবহিত রহিয়াছেন৷

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অনুসৃত রীতি ওপদ্ধতিনা থাকিবার ক্ষেত্রে, সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ এই মর্মেনিশ্চয়তাপ্রদান করিবে যে,-

(ক) সার্টিফিকেট ইস্যুকরণেসার্টিফিকেটপ্রদানকারী কর্তৃপক্ষ এই আইন এবং তদধীন প্রণীত বিধি ওপ্রবিধানের অধীন সকলআবশ্যকতা প্রতিপালন করিয়াছে, এবং যদি সার্টিফিকেটপ্রদানকারী কর্তৃপক্ষসার্টিফিকেট প্রকাশ করিয়া থাকেন অথবা অন্য কোনপ্রকারে উহা অনুরূপ আস্থাবানব্যক্তির জন্য লভ্য করিয়া থাকেন, তাহা হইলেসার্টিফিকেটে তালিকাভুক্তগ্রাহক উহা গ্রহণ করিয়াছেন;

(খ)সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকর্তৃক সার্টিফিকেটে অথবা বরাত হিসাবেসার্টিফিকেটে অন্ত্মর্ভুক্ত তথ্যেরনির্ভুলতা বা যথার্থতার নিশ্চয়তাসম্পর্কিত কোন কিছু না থাকিলেসার্টিফিকেটে বর্ণিত সকল তথ্য সঠিক;

(গ)কোন তথ্য সার্টিফিকেটেঅন্ত্মর্ভুক্ত করা হইলে দফা (ক) এবং (খ) এ প্রদত্তনিশ্চয়তারবিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষুণ্ন করিতে পারে এমন কোন তথ্য সম্পর্কেসার্টিফিকেটপ্রদানকারী কর্তৃপক্ষের কোন জ্ঞান নাই৷

(৩) যদিপ্রযোজ্যসার্টিফিকেট প্রদান রীতি ও পদ্ধতির বিবরণ বরাত হিসাবে কোনসার্টিফিকেটেঅন্ত্মর্ভুক্ত হয় বা উক্ত বিষয়ে বিশ্বাস স্থাপনকারী ব্যক্তিরজ্ঞান থাকে, তাহা হইলে উপ-ধারা (২) এর বিধান উক্তরূপে প্রদত্ত সার্টিফিকেটপ্রদান রীতি ওপদ্ধতির বিবরণের সহিত যতটুকু সামঞ্জস্য পূর্ণ হয় ততটুকুপ্রযোজ্য হইবে৷

     ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট বাতিল

৩৮৷ (১) সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ তদকর্তৃক ইস্যুকৃতইলেক্ট্রনিকস্বাক্ষর সার্টিফিকেট নিম্নবর্ণিত কারণে বাতিল করিতে পারিবে, যথাঃ-

(ক) কোন গ্রাহক বা তাহার নিকট হইতে ক্ষগমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি উহা বাতিলের আবেদন করিলে;

(খ) কোন গ্রাহকের মৃত্যু হইলে; বা

(গ) গ্রাহক কোম্পানি হইবার ক্ষেত্রে, উহার অবসায়ন হইলে বা অন্য কোনভাবে উহার বিলুপ্তি ঘটিলে৷

(২)উপ-ধারা (৩) এর বিধান সাপেক্ষে এবং উপ-ধারা (১) এর বিধানের সামগ্রিকতাকেক্ষুন্ন নাকরিয়া, কোন সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ তদ্‌কর্তৃকইস্যুকৃত কোনইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট বাতিল করিতে পারিবে, যদিউক্ত কর্তৃপক্ষএই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে-

(ক) কোন ইলেক্ট্রনিক স্বাতগর সার্টিফিকেটে উপস্থাপিত তথ্য মিথ্যা বা গোপন করা হইয়াছে;

(খ) ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট ইস্যু করিবার সকল আবশ্যকতা পূরণ করা হয় নাই;

(গ)প্রত্যায়নকারীকর্তৃপক্ষের সনাক্তকরণ পদ্ধতি এমনভাবে পরিবর্তন করা হইয়াছেযাহার দ্বারাইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেটের নির্ভরযোগ্যতাবস্তুগতভাবে ওসামগ্রিকভাবে তগুণ্ন হইয়াছে; বা

(ঘ) উপযুক্ত আদালত কর্তৃক গ্রাহক দেউলিয়া ঘোষিত হইয়াছে৷

(৩) গ্রাহককে শুনানীর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ না দিয়া এই ধারার অধীন কোন ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট বাতিল করা যাইবে না৷

(৪)এইধারার অধীন কোন ইলেক্ট্রনিক স্বাতগর সার্টিফিকেট বাতিল করিবার পরঅবিলম্বেবিষয়টি সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট গ্রাহককেঅবহিত করিবে৷

     ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট স্থগিতকরণ

৩৯৷ (১) উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, নিম্নবর্ণিত কারণে কোনসার্টিফিকেটপ্রদানকারী কর্তৃপক্ষ তদ্‌কর্তৃক ইস্যুকৃত ইলেক্ট্রনিক স্বাতগরসার্টিফিকেটস্থগিত করিতে পারিবে, যথাঃ-

(ক) সংশ্লিষ্টইলেক্ট্রনিকসার্টিফিকেটে তালিকাভুক্ত গ্রাহক অথবা উক্ত গ্রাহকের নিকটহইতেক্ষগমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি উহা স্থগিতের অনুরোধ জ্ঞাপন করিলে;

(খ) সার্র্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ জনস্বার্থে ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেটটি স্থগিত রাখা সমীচীন মনে করিলে৷

(২)সংশ্লিষ্টগ্রাহককে ৩০ (ত্রিশ) দিনের নোটিশ প্রদান না করিয়া উপ-ধারা (১) (খ) এর অধীনকোন ইলেক্ট্রনিক স্বাতগর সার্টিফিকেট স্থগিত করা যাইবে না৷

(৩)উপ-ধারা (২) এর অধীন নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে গ্রাহক কর্তৃক প্রদত্তব্যাখ্যাগ্রহণযোগ্য নহে মর্মে সন্তুষ্ট হইলে, সার্টিফিকেট প্রদানকারীকর্তৃপক্ষসার্টিফিকেট স্থগিত করিতে পারিবে৷

(৪) কোন ইলেক্ট্রনিকস্বাক্ষরসার্টিফিকেট স্থগিতকরণের পর অবিলম্বে সার্টিফিকেট প্রদানকারীকর্তৃপক্ষবিষয়টি সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে অবহিত করিবে৷

     বাতিল বা স্থগিতকরণের নোটিশ

৪০৷ (১) কোন ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট ধারা ৩৮ এর অধীন বাতিল বাধারা৩৯ এর অধীন স্থগিত করা হইলে, সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ উক্তবাতিলবা, ক্ষেত্রমত, স্থগিতকরণের জন্য ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষরসার্টিফিকেটেউল্লিখিত নির্দিষ্ট সংরক্ষণাধারে তদ্‌বিয়য়ে একটি নোটিশ প্রকাশকরিবে৷

(২)একাধিক সংরক্ষণাধার থাকিবার ক্ষেত্রে, সার্টিফিকেটপ্রদানকারী কর্তৃপক্ষইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট বাতিল বা, ক্ষেত্রমত, স্থগিতকরণের নোটিশউক্ত সকল সংরক্ষণাধারে প্রকাশ করিবে৷

    ষষ্ঠ অধ্যায়
গ্রাহকের দায়িত্বাবলী নিরাপত্তা পদ্ধতির প্রয়োগ

৪১৷সার্টিফিকেটপ্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষরসার্টিফিকেটেরশুদ্ধতা নিশ্চিত করিবার জন্য গ্রাহক যথাযথ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷

     ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট গ্রহণ

৪২৷ (১) কোন গ্রাহক কর্তৃক কোন ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট গৃহীতহইয়াছেবলিয়া গণ্য হইবে, যদি তিনি স্বয়ং বা তাহার নিকট হইতেএতদুদ্দেশ্যেক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি উহা এক বা একাধিক ব্যক্তির নিকট বা কোনসংরক্ষণাধারেপ্রকাশ করেন৷

(২) ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষরসার্টিফিকেটগ্রহণ করিয়াগ্রাহক উহাতে বর্ণিত তথ্যের উপর যুক্তিসংগতভাবে আস্থাভাজনসকলের নিকটপ্রত্যয়ন করিতে পারিবে যে-

(ক) সার্টিফিকেট প্রদানকারীকর্তৃপক্ষেরনিকট গ্রাহকের প্রদত্ত সকল বর্ণনা এবং ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষরসার্টিফিকেটেবর্ণিত সকল তথ্য এবং প্রাসঙ্গিক সকল বিষয়াদি সঠিক; এবং

(খ) গ্রাহকের জানামতে ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সাটিফিকেটের সকল তথ্য সত্য৷

     সার্টিফিকেট পাইবার ক্ষেত্রে উপস্থাপিত তথ্য সম্পর্কে অনুমান

৪৩৷কোনইলেক্ট্রনিক স্বাতগর সার্টিফিকেট পাইবার উদ্দেশ্যে, গ্রাহককর্তৃকসার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপতেগর নিকট উপস্থাপিত সকল বস্তুগত তথ্যএবংগ্রাহকের জানামতে ইলেক্ট্রনিক স্বাতগর সার্টিফিকেটে অন্ত্মর্ভুক্তরহিয়াছেএমন সকল তথ্য, উক্ত কর্তৃপতগ কর্তৃক নিশ্চিত করা হউক বা না হউক, গ্রাহকেরসর্বোচ্চ জ্ঞান ও বিশ্বাসমতে সঠিক ও সম্পূর্ণরূপে প্রদত্ত হইয়াছেবলিয়াগণ্য হইবে৷

     গ্রাহকের নিরাপত্তা ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ

৪৪৷ (১) প্রত্যেক গ্রাহক তাহার ইলেক্ট্রনিক স্বাতগর সার্টিফিকেটপ্রদানপ্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা বজায় রাখিতে যত্নবান হইবেন, এবং গ্রাহকেরইলেক্ট্রনিকস্বাতগর সংযুক্ত করিবার জন্য অনুমোদনপ্রাপ্ত নহেন এমন কোনব্যক্তির নিকটউহা প্রকাশ না করিবার সকল পদতেগপ গ্রহণ করিবেন৷

(২)উপ-ধারা (১) এরবিধান লঙ্ঘনক্রমে যদি কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা তগুণ্ন হয়, তাহা হইলেসংশ্লিষ্ট গ্রাহক অনতিবিলম্বে ইলেক্ট্রনিক স্বাতগর সার্টিফিকেটপ্রদানকারীকর্তৃপতগকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে অবহিত করিবেন৷

    সপ্তম অধ্যায়
আইনের বিধান লঙ্ঘন, প্রতিবিধান ও জরিমানা আরোপ, ইত্যাদি নির্দেশ প্রদানে নিয়ন্ত্রকের ক্ষমতা

৪৫৷এইআইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের কোন বিধান প্রতিপালননিশ্চিতকরিবার প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রক, আদেশ দ্বারা, কোন সার্টিফিকেটপ্রদানকারীকর্তৃপতগ বা উহার কোন কর্মচারীকে আদেশে উলিস্্নখিতমতে কোন বিষয়েব্যবস্থাগ্রহণ করিতে বা কোন কাজ করা হইতে বিরত থাকিতে বা নিয়ন্ত্রকেরবিবেচনামতেঅন্যবিধ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে নির্দেশ প্রদান করিতে পরিবেন৷

     জরুরী পরিস্থিততে নিয়ন্ত্রকের নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা

৪৬৷ (১) নিয়ন্ত্রক যদি এই মর্মে সস্তুষ্ট হন যে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা, নিরাপত্তা, অন্যান্য বিদেশী রাষ্ট্রের সহিতবাংলাদেশেরবন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রতগার স্বার্থেবা এই আইনেরঅধীন দণ্ডযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটনের প্ররোচনা প্রতিরোধের জন্যনির্দেশ প্রদানকরা সমীচীন ও প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি, লিখিত কারণউলেস্্নখপূর্বক, আদেশদ্বারা, সরকারের কোন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে কোনকম্পিউটার রিসোর্সেরমাধ্যমে কোন তথ্য সম্প্রচারে বাধা দেওয়ার নির্দেশপ্রদান করিতে পারিবেন৷

(২)উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন আদেশ জারী করাহইলে, উক্ত আদেশে বর্ণিত নির্দেশনাঅনুসারে কোন গ্রাহক বা কম্পিউটাররিসোর্স এর তত্ত্বাবধায়ক উক্ত সংস্থাকেকোন তথ্য উম্মোচন (decrypt) করিবারজন্য সকল সুবিধা এবং কারিগরী সহযোগিতাপ্রদান করিতে বাধ্য থাকিবেন৷

     সংরক্ষিত সিস্টেম ঘোষণার ক্ষমতা

৪৭৷ (১) নিয়ন্ত্রক, সরকারি বা তদরিক্ত ঐচ্ছিকভাবে ইলেক্ট্রনিক গেজেটেপ্রজ্ঞাপনদ্বারা, কোন কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটারনেটওয়ার্ককে একটিসংরতিগত সিস্টেম হিসাবে ঘোষণা করিতে পারিবে৷

(২)উপ-ধারা (১) এরঅধীন ঘোষিত সংরতিগত সিস্টেমে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ বা নিরাপত্তাপ্রদানেরউদ্দেশ্যে নিয়ন্ত্রক, লিখিত আদেশ দ্বারা কোন ব্যক্তিকে তগমতাপ্রদান করিতেপারিবেন৷

     ডকুমেন্ট, রিটার্ণ ও রিপোর্ট প্রদানে ব্যর্থতার প্রতিবিধান

৪৮৷কোনব্যক্তি এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের অধীন প্রদেয়ডকুমেন্ট, রিটার্ণ ও রিপোর্ট নিয়ন্ত্রক বা সার্টিফিকেট প্রদানকারীকর্তৃপতেগর নিকটসরবরাহ করিতে ব্যর্থ হইলে, নিয়ন্ত্রক বা এতদুদ্দেশ্যেনিয়ন্ত্রক বা, তেগত্রমত, সরকারের নিকট হইতে সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারাতগমতাপ্রাপ্ত কোনকর্মকর্তা লিখিতভাবে কারণ উলেস্্নখপূর্বক, প্রশাসনিক আদেশদ্বারা, উক্তব্যক্তির নিকট হইতে অনধিক দশ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করিতেপারিবেন৷

     তথ্য, বই, ইত্যাদি জমা করিতে ব্যর্থতার প্রতিবিধান

৪৯৷কোনব্যক্তি এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের অধীনএতদুদ্দেশ্যেনির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে, কোন তথ্য, বই বা অন্য কোন ডকুমেন্টসরবরাহকরিতে ব্যর্থ হইলে, নিয়ন্ত্রক বা এতদুদ্দেশ্যে নিয়ন্ত্রক বা, তেগত্রমত, সরকারের নিকট হইতে সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা তগমতাপ্রাপ্তকোন কর্মকর্তালিখিতভাবে কারণ উলেস্্নখপূর্বক, প্রশাসনিক আদেশ দ্বারা, উক্তব্যক্তিরনিকট হইতে অনধিক দশ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করিতে পারিবেন৷

     হিসাব বই বা রেকর্ড সংরক্ষণে ব্যর্থতার প্রতিবিধান

৫০৷কোনব্যক্তি এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের অধীন সংরতগণীয়কোনহিসাব বহি বা রেকর্ড সংরতগণ করিতে ব্যর্থ হইলে, নিয়ন্ত্রক বাএতদুদ্দেশ্যেনিয়ন্ত্রক বা, তেগত্রমত, সরকারের নিকট হইতে সাধারণ বা বিশেষআদেশ দ্বারাতগমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা লিখিতভাবে কারণ উল্লেখপূর্বক, প্রশাসনিক আদেশদ্বারা, উক্ত ব্যক্তির নিকট হইতে অনধিক দুই লতগ টাকাজরিমানা আদায় করিতেপারিবেন৷

     অন্যান্য ক্ষেত্রে জরিমানা

৫১৷এইআইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের এমন কোন বিধান যাহারবিষয়েপৃথকভাবে কোন জরিমানা বা অর্থদণ্ডের বিধান করা হয় নাই, কোন ব্যক্তিএমন কোনবিধান লঙ্ঘন করিলে, নিয়ন্ত্রক বা এতদুদ্দেশ্যে নিয়ন্ত্রক বা, তেগত্রমত, সরকারের নিকট হইতে সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা তগমতাপ্রাপ্তকোন কর্মকর্তালিখিতভাবে কারণ উল্লেখপূর্বক, প্রশাসনিক আদেশ দ্বারা, উক্তব্যক্তির নিকটহইতে উক্ত বিধান লঙ্ঘন করিবার দায়ে অনধিক পঁচিশ হাজার টাকাজরিমানা আদায়করিতে পারিবেন৷

     সম্ভাব্য লংঘনের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রকের নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশদানের ক্ষমতা

৫২৷ (১) নিয়ন্ত্রক যদি মনে করেন যে, কোন ব্যক্তি এমন কার্য করিতেউদ্যোগীহইয়াছেন বা হইতেছেন যাহার ফলে এই আইন, তদধীন প্রণীত বিধি, প্রবিধান, লাইসেন্সের কোন বিধান বা শর্ত বা নিয়ন্ত্রকের কোন নির্দেশ লংঘিতহইতেছে বাহইবে, তাহা হইলে উক্ত কার্য হইতে কেন তিনি বিরত হইবেন না বাথাকিবেন না সেইমর্মে তদ্‌কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের নোটিশ জারী করিয়া তাহারবক্তব্যলিখিতভাবে উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন এবং উক্তরূপেকোনবক্তব্য উপস্থাপিত হইলে উহা বিবেচনান্ত্মে নিয়ন্ত্রক উক্ত কার্য হইতেবিরতথাকিবার জন্য বা উক্ত কার্য সম্পর্কে নিয়ন্ত্রকের বিবেচনায় অন্যকোননির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন৷

(২) নিয়ন্ত্রক যদি সন্তুষ্ট হনযে, উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন লঙ্ঘন বা সম্ভাব্য লঙ্ঘনের প্রকৃতি এমন যে, অবিলম্বে উক্ত কার্য হইতে উক্ত ব্যক্তিকে বিরত রাখা প্রয়োজন, তাহাহইলেনিয়ন্ত্রক উক্ত উপ-ধারার অধীন নোটিশ জারীর সময়েই তাহার বিবেচনায়যথাযথবলিয়া বিবেচিত যে কোন অন্ত্মবর্তী আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন যে, উক্তবিষয়ে নিয়ন্ত্রকের সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি উক্ত কার্য হইতেবিরতথাকিবেন৷

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন কোন নির্দেশ দেওয়া হইলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত নির্দেশ প্রতিপালনে বাধ্য থাকিবেন৷

(৪)কোন ব্যক্তি এই ধারার অধীন প্রদত্ত নির্দেশ লঙ্ঘন করিলে নিয়ন্ত্রক তাহারনিকট হইতে অনধিক দশ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করিতে পারিবে৷

     জরিমানা

৫৩৷ (১) এই আইনের অধীন আরোপযোগ্য জরিমানার অতিরিক্ত হিসাবে নিয়ন্ত্রকবিধিদ্বারা নির্ধারিত এই আইনের অন্যান্য বিধান লংঘনের তেগত্রে জরিমানাআরোপেরব্যবস্থা করিতে পারিবেন৷

(২) এই আইন বা বিধির কোন বিধানলংঘনেরতেগত্রে লঙ্ঘনকারীকে শুনানীর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ না দিয়া এই আইনেরঅধীন কোনজরিমানা আরোপ করা যাইবে না৷

(৩) জরিমানা আরোপের বিষয়েনিয়ন্ত্রকেরসিদ্ধান্ত্ম প্রদানের তারিখের সাত দিনের মধ্যে অভিযুক্তব্যক্তি উক্তসিদ্ধান্ত পুনরীতগণের জন্য নিয়ন্ত্রকের নিকট আবেদন করিতেপারিবেন এবংএইরূপে কোন আবেদন দাখিল করা হইলে আবেদনকারীকে শুনানীরযুক্তিসঙ্গত সুযোগপ্রদান করিয়া নিয়ন্ত্রক অনধিক পনের দিনের মধ্যে উহানিষ্পত্তি করিবেন৷

(৪)এই আইনের অধীন প্রদত্ত জরিমানা পরিশোধ না করাহইলে উহা Public Demands Recovery Act, 1913 (Bengal Act III of 1913) এরঅধীন সরকারী দাবী গণ্যেআদায়যোগ্য হইবে৷

    অষ্টম অধ্যায়
অপরাধ, তদন্ত, বিচার, দন্ড ইত্যাদি কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদির অনিষ্ট সাধন ও দণ্ড

৫৪৷ (১) যদি কোন ব্যক্তি কোন কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মালিক বা জিম্মাদারের অনুমতি ব্যতিরেকে-

(ক)উহারফাইলে রতিগত তথ্য বিনষ্ট করিবার বা ফাইল হইতে তথ্য উদ্ধার বা সংগ্রহকরিবারউদ্দেশ্যে উক্ত কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটারনেটওয়ার্কেপ্রবেশ করেন বা অন্য কোন ব্যক্তিকে প্রবেশ করিতে সহায়তা করেন;

(খ)কোনকম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হইতে কোনউপাত্ত, উপাত্ত-ভাণ্ডার বা তথ্য বা উহার উদ্ধৃতাংশ সংগ্রহ করেন বাস্থানান্তরযোগ্যসংরতগণ ব্যবস্থায় রতিগত বা জমাকৃত তথ্য (removable storage medium) বাউপাত্তসহ উক্ত কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটারনেটওয়ার্ক এরতথ্য সংগ্রহ করেন বা কোন উপাত্তের অনুলিপি বা অংশ বিশেষসংগ্রহ করেন;

(গ)কোন কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটারনেটওয়ার্কেউদ্দেশ্যমূলকভাবে কোন ধরনের কম্পিউটার সংক্রামক বা দূষক বাকম্পিউটারভাইরাস প্রবেশ করান বা প্রবেশ করানোর চেষ্টা করেন;

(ঘ)ইচ্ছাকৃতভাবেকোন কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, উপাত্ত, কম্পিউটারের উপাত্ত-ভাণ্ডারের তগতিসাধন করেন বা তগতিসাধনের চেষ্টাকরেন বাউক্ত কম্পিউটার, সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে রতিগত অন্য কোন প্রোগ্রামেরতগতিসাধন করেন বা করিবার চেষ্টা করেন;

(ঙ) ইচ্ছাকৃতভাবে কোন কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে বিঘ্ন সৃষ্টি করেন বা করিবার চেষ্টা করেন;

(চ)কোনকম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কোন বৈধবাতগমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কোন উপায়ে প্রবেশ করিতে বাধা সৃষ্টি করেন বাকরিবারচেষ্টা করেন;

(ছ) এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানেরকোনবিধান লঙ্ঘন করিয়া কোন কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম বাকম্পিউটারনেটওয়ার্কে কোন ব্যক্তিকে অবৈধ প্রবেশে সহায়তা প্রদান করেন;

(জ)ইচ্ছাকৃতভাবেপ্রেরক বা গ্রাহকের অনুমতি ব্যতীত, কোন পণ্য বা সেবা বিপণনেরউদ্দেশ্যে, স্পাম উত্পাদন বা বাজারজাত করেন বা করিবার চেষ্টা করেন বাঅযাচিতইলেক্ট্রনিক মেইল প্রেরণ করেন;

(ঝ) কোন কম্পিউটার বাকম্পিউটারসিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে অন্যায়ভাবে হস্ত্মতেগপ বাকারসাজি করিয়াকোন ব্যক্তির সেবা গ্রহণ বাবদ ধার্য চার্জ অন্যের হিসাবে জমাকরেন বাকরিবার চেষ্টা করেন;

তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ৷

(২)কোনব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক দশ বত্সরকারাদণ্ডে, বা অনধিক দশ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷

ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে,-

(ক) ”কম্পিউটার দূষণ” অর্থ এমন সব কম্পিউটার নির্দেশনা যাহা নিম্নবর্ণিত কার্যের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হয়-

(অ)কোনকম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে রতিগত কোনরেকর্ড, উপাত্ত বা প্রোগ্রামের প্রেরণ বা সঞ্চারণ কার্যের পরিবর্তন বাবিনাশ সাধন;

(আ) যে কোন উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে স্বাভাবিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করা;

(খ) ”কম্পিউটার উপাত্ত-ভাণ্ডার” অর্থ টেক্সট, ইমেজ, অডিও বা ভিডিওআকারেউপস্থাপিত তথ্য জ্ঞান, ঘটনা, মৌলিক ধারণা বা নির্দেশাবলী, যাহা-

(অ) কোন কম্পিউটারের বা কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক দ্বারা আনুষ্ঠানিক পদ্ধতিতে প্রস্তুত হইতেছে বা হইয়াছে; এবং

(আ) কোন কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হইয়াছে;

(গ) ”কম্পিউটার ভাইরাস” অর্থ এমন কম্পিউটার নির্দেশ, তথ্য, উপাত্ত বা প্রোগ্রাম, যাহা-

(অ) কোন কম্পিউটার সম্পাদিত কার্যকে বিনাস, তগতি বা তগুণ্ন করে বা উহার কার্য-সম্পাদনের দতগতায় বিরূপ প্রভাব বিস্ত্মার করে; বা

(আ)নিজেকেঅন্য কোন কম্পিউটারের সহিত সংযুক্ত করিয়া উক্ত কম্পিউটারের কোনপ্রোগ্রাম, উপাত্ত বা নির্দেশ কার্যকর করিবার বা কোন ক্রিয়া সম্পাদনের সময়নিজেইক্রিয়াশীল হইয়া উঠে এবং উহার মাধ্যমে উক্ত কম্পিউটার কোন ঘটনা ঘটায়;

(ঘ) ”ক্ষতি” অর্থ এমন কোন কার্য যাহার দ্বারা কোন কম্পিউটারে রতিগত তথ্যবাউপাত্ত বিনষ্ট, পরিবর্তন, সংযোজন, সংশোধন বা পুনঃবিন্যাস করা হয় বামুছিয়াফেলা হয়৷

     কম্পিউটার সোর্স কোড পরিবর্তন সংক্রান্ত অপরাধ ও উহার দণ্ড

৫৫৷কোনব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে, কোন কম্পিউটার, কম্পিউটারপ্রোগ্রাম, কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ব্যবহৃতকম্পিউটারসোর্স কোড, গোপন, ধ্বংস বা পরিবর্তন করেন, বা অন্য কোন ব্যক্তিরমাধ্যমেউক্ত কোড, প্রোগ্রাম, সিস্টেম বা নেটওয়ার্ক গোপন, ধ্বংস বাপরিবর্তন করিবারচেষ্টা করেন এবং উক্ত সোর্স কোডটি যদি আপাততঃ বলবত্ অন্যকোন আইন দ্বারাসংরক্ষণযোগ্য বা রক্ষণাবেক্ষণযোগ্য হয়, তাহা হইলে তাহার এইকাজ হইবে একটিঅপরাধ৷

(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনঅপরাধ করিলে তিনিঅনধিক তিন বত্সর কারাদণ্ডে, বা অনধিক তিন লতগ টাকাঅর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডেদণ্ডিতে হইবেন৷

ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “কম্পিউটারসোর্স কোড” অর্থ তালিকাভুক্ত প্রোগ্রাম, কম্পিউটারকমান্ড, ডিজাইন ও লে-আইটতালিকাভুক্তি এবং কম্পিউটার রিসোর্সের যে কোনধরনের প্রোগ্রাম বিশ্লেষণ৷

     কম্পিউটার সিস্টেমের হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও উহার দণ্ড

৫৬৷ (১) কোন ব্যক্তি যদি-

(ক)জনসাধারণেরবা কোন ব্যক্তির তগতি করিবার উদ্দেশ্যে বা তগতি হইবে মর্মেজ্ঞাত হওয়াসত্ত্বেও এমন কোন কার্য করেন যাহার ফলে কোন কম্পিউটার রিসোর্সেরকোন তথ্যবিনাশ, বাতিল বা পরিবর্তিত হয় বা উহার মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাসপায় বা অন্যকোনভাবে উহাকে তগতিগ্রস্ত্ম করে;

(খ) এমন কোনকম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক সিস্টেমেঅবৈধভাবে প্রবেশকরার মাধ্যমে ইহার তগতিসাধন করেন, যাহাতে তিনি মালিক বাদখলকার নহেন;

তাহা হইলে তাহার এই কার্য হইবে একটি হ্যাকিং অপরাধ৷

(২)কোনব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন হ্যাকিং অপরাধ করিলে তিনি অনধিক দশবত্সরকারাদণ্ডে, বা অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিতহইবেন৷

     ইলেক্ট্রনিক ফরমে মিথ্যা, অশ্লীল অথবা মানহানিকর তথ্য প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও উহার দণ্ড

৫৭৷ (১) কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েব সাইটে বা অন্য কোনইলেক্ট্রনিকবিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ওঅশ্লীল বাসংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলেনীতিভ্রষ্ট বা অসত্হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানিঘটে, আইন শৃঙ্খলারঅবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ওব্যক্তির ভাবমূর্তিক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতেপারেবা এ ধরনেরতথ্যাদির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানীপ্রদান করা হয়, তাহা ইহলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ৷

(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক দশ বত্সর কারাদণ্ডে এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷

     লাইসেন্স সমর্পণে ব্যর্থতা ও উহার দণ্ড

৫৮৷ (১) ধারা ৩৪ এর অধীন কোন সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপতগ যদি কোনলাইসেন্সসমর্পণ করিতে ব্যর্থ হয়, তাহা হইলে যে ব্যক্তির অনুকূলে উক্তলাইসেন্সপ্রদান করা হইয়াছিল সেই ব্যক্তির উক্ত ব্যর্থতা হইবে একটি অপরাধ৷

(২)কোনব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক ছয় মাসকারাদণ্ডে, বাঅনধিক দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷

     নির্দেশ লঙ্ঘন সংক্রান্ত অপরাধ ও উহার দণ্ড

৫৯৷ (১) এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের কোন বিধানপ্রতিপালননিশ্চিত করিবার প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রক, আদেশ দ্বারা, কোনসার্টিফিকেটপ্রদানকারী কর্তৃপতগ বা উহার কোন কর্মচারীকে আদেশে উল্লিখিতমতেকোন বিষয়েব্যবস্থা গ্রহণ করিতে বা কোন কার্য করা হইতে বিরত থাকিতে নির্দেশপ্রদানকরিলে কোন ব্যক্তি যদি উক্ত নির্দেশ লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে উক্তলঙ্ঘন হইবেএকটি অপরাধ৷

(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধকরিলে তিনিঅনধিক এক বত্সর কারাদণ্ডে, বা অনধিক এক লতগ টাকা অর্থদণ্ডে, বাউভয় দণ্ডেদণ্ডিত হইবেন৷

     জরুরী পরিস্থিততে নিয়ন্ত্রকের নির্দেশ অমান্যে দণ্ড

৬০৷ (১) বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা, নিরাপত্তা, অন্যান্যবিদেশীরাষ্ট্রের সহিত বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা ওনিরাপত্তারতগার স্বার্থে বা এই আইনের অধীন দণ্ডযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটনেরপ্ররোচনাপ্রতিরোধের জন্য নিয়ন্ত্রক, লিখিত আদেশ দ্বারা, সরকারের কোন আইনপ্রণয়নকারীসংস্থাকে কোন কম্পিউটার রিসোর্সের মাধ্যমে কোন তথ্য সম্প্রচারেবাধাদেওয়ার নির্দেশ প্রদান করিলে কোন ব্যক্তি অনুরূপ বাধা অমান্য করিয়াকোনতথ্য সম্প্রচার করিলে উহা হইবে একটি অপরাধ৷

(২) কোন ব্যক্তিউপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক পাঁচ বত্সর কারাদণ্ডে, বাঅনধিক পাঁচলতগ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷

     সংরক্ষিত সিস্টেমে প্রবেশ সংক্রান্ত অপরাধ ও উহার দণ্ড

৬১৷ (১) নিয়ন্ত্রক, সরকারী বা ঐচ্ছিকভাবে ইলেক্ট্রনিক গেজেটে প্রজ্ঞাপনদ্বারা, কোন কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে একটিসংরতিগতসিস্টেম হিসাবে ঘোষণা করা সত্ত্বেও যদি কোন ব্যক্তি উক্তসংরতিগতকম্পিউটার, সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করেন, তাহাহইলেতাহার এই অননুমোদিত প্রবেশ হইবে একটি অপরাধ৷

(২) কোনব্যক্তিউপ-ধারা (১) এর অধীন কোন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক দশ বত্সরকারাদণ্ডে, বাঅনধিক দশ লতগ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷

     মিথ্যা প্রতিনিধিত্ব ও তথ্য গোপন সংক্রান্ত অপরাধ ও উহার দণ্ড

৬২৷ (১) যদি কোন ব্যক্তি লাইসেন্স বা ইলেক্ট্রনিক স্বাতগরসার্টিফিকেটপ্রাপ্তির জন্য নিয়ন্ত্রক বা সার্টিফিকেট প্রদানকারীকর্তৃপতেগর নিকটমিথ্যা পরিচয় প্রদান করেন বা কোন গুরম্্নত্বপূর্ণ তথ্যগোপন করেন, তাহাহইলে তাহার উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ৷

(২) কোনব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক দুই বত্সর কারাদণ্ডে, বা অনধিক দুই লতগটাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷

     গোপনীয়তা প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও উহার দণ্ড

৬৩৷ (১) এই আইন বা আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ কোন কিছু না থাকিলে, কোন ব্যক্তি যদি এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের কোনবিধানেরঅধীন কোন ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড, বই, রেজিস্টার, পত্রযোগাযোগ, তথ্য, দলিল বাঅন্য কোন বিষয়বস্তুতে প্রবেশাধিকারপ্রাপ্ত হইয়া, সংশিস্্নষ্টব্যক্তিরসম্মতি ব্যতিরেকে, কোন ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড, বই, রেজিস্টার, পত্রযোগাযোগ, তথ্য, দলিল বা অন্য কোন বিষয়বস্তু অন্য কোন ব্যক্তির নিকটপ্রকাশ করেন, তাহা হইলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ৷

(২) কোনব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক দুই বত্সর কারাদণ্ডে, বা অনধিক দুইলতগ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷

     ভুয়া (false) ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড

৬৪৷ (১) কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে নিম্নবর্ণিত বিষয়ে কোনইলেক্ট্রনিকস্বাতগরসার্টিফিকেট প্রকাশ বা অন্য কোনভাবে অন্য কোন ব্যক্তিরপ্রাপ্তিসাধ্যকরিবেন না, যাহা-

(ক) তালিকাভুক্ত সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপতগ কর্তৃক ইস্যুকৃত হয় নাই; বা

(খ) তালিকাভুক্ত গ্রাহক কর্তৃক উহা গৃহীত হয় নাই; বা

(গ) বাতিল বা স্থগিত করা হইয়াছে;

যদিনাউক্ত প্রকাশনা কোন ইলেক্ট্রনিক স্বাতগর বাতিল বা স্থগিতের পূর্বেইযাচাইয়েরউদ্দেশ্যে তৈরি করা হইয়া থাকে এবং যদি উক্ত বিধান লঙ্ঘনক্রমেউক্তসার্টিফিকেট প্রকাশ বা অন্য কোনভাবে অন্য কোন ব্যক্তিরপ্রাপ্তিসাধ্যকরেন, তাহা হইলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ৷

(২)কোন ব্যক্তিউপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক দুই বত্সরকারাদণ্ডে, বা অনধিকদুই লতগ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷

     প্রতারণার উদ্দেশ্যে ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট প্রকাশ, ইত্যাদি সংক্রান্ত অপরাধ ও উহার দণ্ড

৬৫৷ (১) যদি কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতারণা বা অন্য কোন বে-আইনীউদ্দেশ্যেকোন ইলেক্ট্রনিক স্বাতগর সার্টিফিকেট প্রস্তুত, প্রকাশ বাপ্রাপ্তিসাধ্যকরেন, তাহা হইলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ৷

(২)কোন ব্যক্তিউপ-ধারা (১) এর অধীন কোন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক দুই বত্সরকারাদণ্ডে, বাঅনধিক দুই লতগ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷

     কম্পিউটার ব্যবহারের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটন ও উহার দণ্ড

৬৬৷ (১) যদি কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোন কম্পিউটার, ই-মেইল বাকম্পিউটারনেটওয়ার্ক, রিসোর্স বা সিস্টেম ব্যবহারের মাধ্যমে এই আইনের অধীনকোন অপরাধসংঘটনে সহায়তা করেন, তাহা হইলে তাহার উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ৷

(২)কোনব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করিবার তেগত্রেমূলঅপরাধটির জন্য যে দণ্ড নির্ধারিত রহিয়াছে তিনি সেই দণ্ডেই দণ্ডিতহইবেন৷

     কোম্পানী, ইত্যাদি কর্তৃক অপরাধ সংঘটন

৬৭৷কোনকোম্পানী কর্তৃক এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে উক্ত অপরাধেরসহিতপ্রত্যতগ সংশিস্্নষ্টতা রহিয়াছে কোম্পানীর এমন প্রত্যেক পরিচালক, ম্যানেজার, সচিব, অংশীদার, কর্মকর্তা এবং কর্মচারী উক্ত অপরাধসংঘটিতকরিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন, যদি না প্রমাণ করা যায় যে, উক্ত অপরাধতাহারঅজ্ঞাতসারে সংঘটিত হইয়াছে অথবা উক্ত অপরাধ রোধ করিবার জন্য তিনিযথাসাধ্যচেষ্টা করিয়াছেন৷

ব্যাখ্যাঃ এই ধারায়-

(ক) “কোম্পানী” বলিতে কোন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, অংশীদারী কারবার, সমিতি, সংঘ এবং সংগঠনও অন্ত্মর্ভুক্ত হইবে; এবং

(খ) বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের তেগত্রে “পরিচালক” বলিতে উহার কোন অংশীদার বা পরিচালনা বোর্ডের সদস্যকেও বুঝাইবে৷

     সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন

৬৮৷ (১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের অধীন সংঘটিতঅপরাধেরদ্রম্্নত ও কার্যকর বিচারের উদ্দেশ্যে, এক বা একাধিক সাইবারট্রাইব্যুনাল, অতঃপর সময় সময় ট্রাইব্যুনাল বলিয়া উলিস্্নখিত, গঠন করিতেপারিবে৷

(২)উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল সুপ্রীমকোর্টের সহিতপরামর্শক্রমে, সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন দায়রা জজ বা একজনঅতিরিক্ত দায়রাজজের সমন্বয়ে গঠিত হইবে; এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত একজনবিচারক “বিচারক, সাইবার ট্রাইব্যুনাল” নামে অভিহিত হইবেন৷

(৩) এইধারার অধীন গঠিতসাইবার ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের স্থানীয় অধিতেগত্রঅথবা এক বাএকাধিক দায়রা ডিভিশনের অধিতেগত্র প্রদান করা যাইতে পারে; এবংউক্তট্রাইব্যুনাল কেবল এই আইনের অধীন অপরাধের মামলার বিচার করিবে৷

(৪)সরকারকর্তৃক পরবর্তীতে গঠিত কোন ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের অথবা একবাএকাধিক দায়রা বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত উহার অংশ বিশেষের স্থানীয়অধিতেগত্রন্যস্ত্ম করিবার কারণে ইতঃপূর্বে কোন দায়রা আদালতে এই আইনেরঅধীননিস্পন্নাাধীন মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত, বা সংশিস্্নষ্টস্থানীয়অধিতেগত্রের ট্রাইব্যুনালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলী হইবে না, তবেসরকার, সরকারীগেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, দায়রা আদালতে নিষ্পন্নাধীন এইআইনের অধীন কোনমামলা বিশেষ স্থানীয় অধিতেগত্রসম্পন্ন ট্রাইব্যুনালে বদলীকরিতে পারিবে৷

(৫)কোন ট্রাইব্যুনাল, ভিন্নরূপ সিদ্ধান্ত্ম গ্রহণ নাকরিলে, যে সাতগীর সাতগ্যগ্রহণ করা হইয়াছে উক্ত সাতগীর সাতগ্য পুনঃগ্রহণ, বা পুনঃশুনানী গ্রহণকরিতে, অথবা উপ-ধারা (৪) এর অধীন গৃহীত কার্যধারাপুনরায় আরম্ভ করিতে বাধ্যথাকিবে না, তবে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে যে সাতগ্যগ্রহণ বা উপস্থাপন করাহইয়াছে উক্ত সাতেগর ভিত্তিতে কার্য করিতে এবং মামলাযে পর্যায়ে ছিল সেইপর্যায় হইতে বিচারকার্য অব্যাহত রাখিতে পারিবে৷

(৬)সরকার, আদেশদ্বারা, যে স্থান বা সময় নির্ধারণ করিবে সেই স্থান বা সময়েবিশেষট্রাইব্যুনাল আসন গ্রহণ করিতে পারিবে এবং উহার কার্যক্রম পরিচালনাকরিতেপারিবে৷

     সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচার পদ্ধতি

৬৯৷ (১) সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিম্নে নহে এইরূপ কোন পুলিশকর্মকর্তারলিখিত রিপোর্ট এবং নিয়ন্ত্রক বা তদুদ্দেশ্যে তাহার নিকট হইতেতগমতাপ্রাপ্তকোন কর্মকর্তার পূর্বানুমোদন ব্যতীত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনঅপরাধবিচারার্থ গ্রহণ করিবে না৷

(২) ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীনঅপরাধেরবিচারকালে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য ফৌজদারী কার্যবিধির অধ্যায় ২৩এরবর্ণিত পদ্ধতি, এই আইনের বিধানাবলীর সহিত অসংগতিপূর্ণ না হওয়া সাপেতেগ, অনুসরণ করিবে৷

(৩) কোন ট্রাইব্যুনাল, ন্যায়বিচারেরস্বার্থেপ্রয়োজনীয় না হইলে, এবং কারণ লিখিতভাবে লিপ্বিদ্ধ না করিয়া, কোনমামলারবিচারকার্য স্থগিত করিতে পারিবে না৷

(৪) যেইতেগত্রেট্রাইব্যুনালেরবিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতকরহিয়াছেন বা আত্মগোপনকরিয়াছেন যে কারণে তাহাকে গ্রেপ্তার করিয়া বিচারেরজন্য উপস্থিত করা সম্ভবনহে এবং তাহাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের অবকাশ নাই, সেইতেগত্রে উক্তট্রাইব্যুনাল, আদেশ দ্বারা, বহুল প্রচারিত অন্যান্য জাতীয়দুইটি বাংলাদৈনিক সংবাদপত্রে, অনুরূপ ব্যক্তিকে আদেশে উলিস্্নখিত সময়েরমধ্যে হাজিরহইবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে, এবং উক্ত ব্যক্তি অনুরূপনির্দেশ পালনকরিতে ব্যর্থ হইলে তাহার অনুপস্থিতিতেই তাহার বিচার করা হইবে৷

(৫)ট্রাইব্যুনালেরসামনে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপস্থিত হইবার বা জামিনে মুক্তিপাইবার পর পলাতকহইলে অথবা উহার সম্মুখে উপস্থিত হইতে ব্যর্থ হইলে, উপ-ধারা (৪) এউলিস্্নখিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হইবে না, এবং উক্ত ট্রাইব্যুনালউহারসিদ্ধান্ত্ম লিপিবদ্ধ করিয়া অনুরূপ ব্যক্তির অনুপস্থিতিতেই বিচারকরিবে৷

(৬)ট্রাইব্যুনাল, উহার নিকট পেশকৃত আবেদনের ভিত্তিতে, বাউহার নিজ উদ্যোগে, কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা, তেগত্রমত, নিয়ন্ত্রক বাএতদুদ্দেশ্যে নিয়ন্ত্রকেরনিকট হইতে তগমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে এই আইনেরঅধীন সংঘটিত অপরাধসংশিস্্নষ্ট যে কোন মামলা পুনঃতদন্ত্মের, এবং তদ্‌কর্তৃকনির্ধারিত সময়েরমধ্যে রিপোর্ট প্রদানের নিদের্শ প্রদান করিতে পারিবে৷

     ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ

৭০৷ (১) ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী, যতদূর সম্ভব, এই আইনের বিধানাবলীরসহিতঅসংগতিপূর্ণ না হওয়া সাপেতেগ, ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে প্রযোজ্যহইবে, এবং আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী দায়রা আদালতের সকল তগমতা উক্তট্রাইব্যুনালেরথাকিবে৷

(২) ট্রাইব্যুনালে সরকার পতেগ মামলা পরিচালনাকারী ব্যক্তি পাবলিক প্রসিকিউটর বলিয়া গণ্য হইবেন৷

     জামিন সংক্রান্ত বিধান

৭১৷ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই আইনের অধীন দণ্ডযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করিবেন না, যদি না-

(ক) রাষ্ট্রপক্ষকে অনুরূপ জামিনের আদেশের উপর শুনানীর সুযোগ প্রদান করা হয়;

(খ) বিচারক সন্তুষ্ট হন যে,-

(অ) অভিযুক্ত ব্যক্তি বিচারে দোষী সাব্যস্ত্ম নাও হইতে পারেন মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসঙ্গত কারণ রহিয়াছে;

(আ) অপরাধ আপেতিগক অর্থে গুরুতর নহে এবং অপরাধ প্রমাণিত হইলেও শাস্ত্মি কঠোর হইবে না; এবং

(গ) তিনি অনুরূপ সস্তুষ্টির কারণসমূহ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করেন৷

     রায় প্রদানের সময়সীমা

৭২৷ (১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাতগ্য অথবা যুক্তিতর্ক সমাপ্ত হইবারতারিখহইতে, যাহা পরে ঘটে, দশ দিনের মধ্যে রায় প্রদান করিবেন, যদি নাতিনিলিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা অনধিক দশ দিন বৃদ্ধি করেন৷

(২)উপ-ধারা (১) এর অধীন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক রায় প্রদান করা হইলে বা উক্তরায়ের অধীনসাইবার আপীল ট্রাইব্যুনালে কোন আপীল দায়ের হইলে উক্ত আপীলেররায়ের কপি ধারা১৮(৭) এর অধীন গঠিত ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড সংরতগণ কতেগসংরতগণের উদ্দেশ্যেসংশিস্্নষ্ট ট্রাইব্যুনাল বা সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনালউহার রায়ের কপিনিয়ন্ত্রকের নিকট প্রেরণ করিবে; উক্তরূপে কোন রায়ের কপিপ্রেরণ করা হইলে, নিয়ন্ত্রক উহা উক্ত কতেগ সংরতগণের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণকরিবেন৷

     ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মামলা নিষ্পত্তির নির্ধারিত সময়সীমা

৭৩৷ (১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ছয় মাসের মধ্যে মামলার বিচার কার্য সমাপ্ত করিবেন৷

(২)বিচারকউপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন মামলা নিষ্পত্তিকরিতেব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করিয়া সময়সীমা অনধিকআরওতিন মাস বৃদ্ধি করিতে পারিবেন৷

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীননির্ধারিতসময়ের মধ্যে বিচারক কোন মামলার নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহারকারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগ ওনিয়ন্ত্রককেঅবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতেপারিবেন৷

     দায়রা আদালত কর্তৃক অপরাধের বিচার

৭৪৷ফৌজদারীকার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এতদুদ্দেশ্যে বিশেষট্রাইব্যুনালগঠিত না হওয়া পর্যন্ত্ম এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ দায়রা আদালতকর্তৃকবিচার্য হইবে৷

     দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসরণীয় বিচার পদ্ধতি

৭৫৷ (১) দায়রা আদালত এই আইনের অধীন অপরাধ বিচারের সময় দায়রা আদালতেবিচারেরতেগত্রে প্রযোজ্য ফৌজদারী কার্যবিধির অধ্যায় ২৩ এ বর্ণিত পদ্ধতিঅনুসরণকরিবে৷

(২) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিম্নে নহে এইরূপ পুলিশ কর্মকর্তারলিখিতরিপোর্ট এবং নিয়ন্ত্রক কিংবা এতদুদ্দেশ্যে তাহার নিকট হইতেতগমতাপ্রাপ্তকোন কর্মকর্তার পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে কোন দায়রা আদালত আদিএখতিয়ারসম্পন্ন আদালত হিসাবে, এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণকরিবে না৷

     অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা, ইত্যাদি

৭৬৷ (১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিয়ন্ত্রক বানিয়ন্ত্রকহইতে এতদুদ্দেশ্যে তগমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা বাসাব-ইন্সপেক্টরেরপদমর্যাদার নিম্নে নহেন এমন কোন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনেরঅধীন কোন অপরাধতদন্ত্ম করিবেন৷

(২) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য (non-cognizable) হইবে৷

     বাজেয়াপ্তি

৭৭৷ (১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে, যে কম্পিউটার, কম্পিউটারসিস্টেম, ফ্লপি, কমপ্যাক্ট ডিস্ক (সিডি), টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনআনুষঙ্গিককম্পিউটার উপকরণ বা বস্তু সম্পর্কে বা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিতহইয়াছেসেইগুলি উক্ত অপরাধের বিচারকারী আদালতের আদেশানুসারে বাজেয়াপ্তযোগ্যহইবে৷

(২)যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, যে ব্যক্তির দখল বানিয়ন্ত্রণে উক্তকম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিক্স, কমপ্যাক্টডিস্ক, বা অন্য কোনআনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ পাওয়া গিয়াছে তিনি এই আইন বাতদধীন প্রণীত বিধিবা প্রবিধানের কোন বিধান লংঘনের জন্য বা অপরাধ সংঘটনেরজন্য দায়ী নহেন, তাহা হইলে উক্ত কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপিডিস্ক, কমপ্যাক্টডিক্স, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোন আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণবাজেয়াপ্তযোগ্যহইবে না৷

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন বাজেয়াপ্তযোগ্যকোন কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপড্রাইভ বা অন্য কোনআনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণের সহিত কোন বৈধ কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনকম্পিউটার উপকরণপাওয়া যায়, তাহা হইলে সেইগুলিও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে৷

(৪)এই ধারায়যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উপ-ধারা (১) এ উলিস্্নখিত কোন অপরাধসংঘটনের জন্যযদি কোন সরকারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপতেগর কোনকম্পিউটার বাতত্সংশিস্্নষ্ট কোন উপকরণ বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়, তাহাহইলে উহাবাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না৷

     দণ্ড বা বাজেয়াপ্তকরণ অন্য কোন শাস্তি প্রদানে বাধা না হওয়া

৭৮৷এইআইনের অধীন প্রদত্ত দণ্ড বা বাজেয়াপ্তকরণ আদেশ আপাততঃ বলবত্ অন্য কোনআইনেদোষী একই ব্যক্তির উপর অন্য কোন দণ্ড প্রদানে বাধা হইবে না৷

     কতিপয় ক্ষেত্রে নেটওয়ার্ক সেবা প্রদানকারী দায়ী না হওয়া

৭৯৷নেটওয়ার্কসেবা প্রদানকারী কোন তৃতীয় পতগ তথ্য বা উপাত্ত প্রাপ্তিসাধ্যকরিবার জন্যএই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের অধীন দায়ী হইবেননা, যদি প্রমাণকরা যায় যে, সংশিস্্নষ্ট অপরাধ বা লঙ্ঘন তাহার অজ্ঞাতসারেঘটিয়াছে বা উক্তঅপরাধ যাহাতে সংঘটিত না হয় তজ্জন্য তিনি সাধ্যমত চেষ্টাকরিয়াছেন৷

ব্যাখ্যাঃ (ক) “নেটওয়ার্ক সেবা প্রদানকারী” অর্থ কোন যোগাযোগের মাধ্যম;

(খ) “তৃতীয় পতগ তথ্য বা উপাত্ত” অর্থ নেটওয়ার্ক সেবা প্রদানকারী কর্তৃক যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে যে তথ্য বা উপাত্ত প্রদান করা হয়৷

     প্রকাশ্য স্থান, ইত্যাদিতে আটক বা গ্রেফতারের ক্ষমতা

৮০৷এইআইনের অধীন গৃহীত কোন অনুসন্ধান বা তদন্ত্ম কার্যক্রমে নিয়ন্ত্রক, তগমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা বা সাব-ইন্সপেক্টরের নিম্নে নহেন এমন কোনপুলিশকর্মকর্তার যদি এইরূপ বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, কোন প্রকাশ্যস্থানেএই আইনের পরিপন্থী কোন কার্য হইয়াছে বা হইতেছে অথবা এই আইনের অধীনদণ্ডণীয়কোন অপরাধ সংগঠিত হইয়াছে, তাহা হইলে অনুরূপ বিশ্বাস করিবার কারণলিপিবদ্ধকরিয়া তিনি উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশী করিতে পারিবেন এবংসংশ্লিষ্টযে কোন বস্তু আটক করিতে পারিবেন এবং সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তি বাঅপরাধীকেগ্রেফতার করিতে পারিবেন৷

     তল্লাশী, ইত্যাদির পদ্ধতি

৮১৷এইআইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, এই আইনের অধীন জারীকৃত সকল তদন্ত্ম, পরোয়ানা, তল্লাশী, গ্রেফতার ও আটকের বিষয়ে ফৌজদারী কার্যবিধিরসংশ্লিষ্টবিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷

     সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল গঠন

৮২৷ (১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এক বা একাধিক সাইবারআপীলট্রাইব্যুনাল, অতঃপর সময় সময় আপীল ট্রাইব্যুনাল বলিয়া উলিস্্নখিত, গঠনকরিতে পারিবে৷

(২) সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন চেয়ারম্যান এবং দুইজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত হইবে৷

(৩)চেয়ারম্যানএমন একজন ব্যক্তি হইবেন যিনি সুপ্রীমকোর্টের বিচারক ছিলেন বাআছেন বাঅনুরূপ বিচারক হিসাবে নিয়োগ লাভের যোগ্য এবং সদস্যগণের মধ্যে একজনহইবেনবিচার কর্মবিভাগে নিযুক্ত একজন কর্মরত অথবা অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ এবংঅন্যজন হইবেন তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিষয়ে নির্ধারিত জ্ঞান ওঅভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন ব্যক্তি৷

(৪) চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ নিয়োগেরতারিখ হইতেঅন্যুন তিন বত্সর এবং অনধিক পাঁচ বত্সর পদে বহাল থাকিবেন এবংতাহাদেরচাকুরীর শর্তাবলী সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হইবে৷

     সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার ও পদ্ধতি

৮৩৷ (১) সাইবার ট্রাইব্যুনাল এবং, তেগত্রমত, দায়রা আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায়ওআদেশের বিরম্্নদ্ধে আপীল শ্রবণ ও নিষ্পত্তি করিবার এখতিয়ারআপীলট্রাইব্যুনালের থাকিবে৷

(২) আপীল শ্রবণ ও নিষ্পত্তির তেগত্রে, সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করিবেএবংবিধি দ্বারা পদ্ধতি নির্ধারিত করা না হইলে সুপ্রীমকোর্টের হাইকোর্টবিভাগফৌজদারী আপীল শুনানী ও নিষ্পত্তির জন্য যেইরূপ পদ্ধতি অনুসরণ করিয়াথাকেআপীল ট্রাইব্যুনাল সেইরূপ পদ্ধতি, প্রয়োজনীয় অভিযোজনসহ, অনুসরণ করিবে৷

(৩) সাইবার ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত রায় বা আদেশ বহাল, বাতিল, পরিবর্তন, বা সংশোধন করিবার তগমতা আপীল ট্রাইব্যুনালের থাকিবে৷

(৪) আপীল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধান্ত্ম চূড়ান্ত্ম হইবে৷

     সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হইবার ক্ষেত্রে আপীল পদ্ধতি

৮৪৷এইঅংশের অধীন কোন সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হইয়া থাকিলে, ফৌজদারীকার্যবিধি আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, দায়রা আদালত কিংবা, তেগত্রমত, সাইবার ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত রায় ও আদেশের বিরুদ্ধেআপীলসুপ্রীমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করিতে হইবে৷

    নবম অধ্যায়
বিবিধ জনসেবক

৮৫৷নিয়ন্ত্রক, উপ-নিয়ন্ত্রক, সহকারী নিয়ন্ত্রক, বা এই আইনের অধীন তগমতাপ্রয়োগ ও কার্যসম্পাদনের জন্য তগমতাপ্রাপ্ত যে কোন ব্যক্তি দন্ডবিধির ধারা২১ এর অর্থেজনসেবক বা Public Servant বলিয়া গণ্য হইবেন৷

     সরল বিশ্বাসে কৃত কর্ম রক্ষণ

৮৬৷এইআইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের অধীন সরল বিশ্বাসে কৃত কোনকার্যেরফলে কোন ব্যক্তি তগতিগ্রস্ত্ম হইলে বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকিলেতজ্জন্যসরকার, নিয়ন্ত্রক, উপ-নিয়ন্ত্রক, সহকারী নিয়ন্ত্রক বা তাহাদের পতেগকার্যরতকোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারীমামলা বা অন্যকোন প্রকার আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা যাইবে না৷

     কতিপয় আইনে ব্যবহৃত কতিপয় সংজ্ঞার বর্ধিত অর্থে প্রয়োগ

৮৭৷ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে,-

(ক) Penal Code, 1860 (Act No. XLV of 1860) এর section 29 এর ¤œdocument” এরসংজ্ঞায়িত অর্থে কোন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র বা কৌশল দ্বারা সৃষ্ট document ওঅন্ত্মর্ভুক্ত হইবে;

(খ) Evidence Act, 1872 (Act No. I of 1872) এর section 3 এর ¤œdocument” শব্দের সংজ্ঞায়িত অর্থে কোন ইলেক্ট্রনিকযন্ত্রবা কৌশল দ্বারা সৃষ্ট document ও অন্ত্মর্ভুক্ত হইবে;

(গ) Banker's Books Evidence Act, 1891 (Act No. XVIII of 1891) এর section 2 এর Clause (3) এর ¤œbankers books” এর সংজ্ঞায়িত অর্থে কোন ব্যাংকেরস্বাভাবিকব্যবসায়ে ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র বা কৌশল দ্বারা সৃষ্ট ও ব্যবহৃতledgers, day-books, cash-books, account-books and all other books ওঅন্ত্মর্ভুক্তহইবে৷

     বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা

৮৮৷সরকার, সরকারী গেজেটে এবং তদতিরিক্ত ঐচ্ছিকভাবে ইলেক্ট্রনিক গেজেটেপ্রজ্ঞাপনদ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোনবিষয়ে বিধিপ্রণয়ন করিতে পারিবে, যথাঃ-

(ক) কোন তথ্য বা বিষয় সত্যায়িত করিবার বা ইলেক্ট্রনিক স্বাত্মগর দ্বারা কোন দলিল স্বাত্মগর করিবার পদ্ধতি;

(খ) ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে জমা, জারী, মঞ্জুরী বা টাকা প্রদান পদ্ধতি;

(গ) ইলেক্ট্রনিক রের্কড জমা বা জারী করিবার এবং টাকা প্রদান করিবার পদ্ধতি ও নিয়ম;

(ঘ) ইলেক্ট্রনিক স্বাত্মগরের ধরন সম্পর্কিত বিষয়াদি নির্ধারণসহ, উহা সংযুক্ত করিবার পদ্ধতি এবং ছক;

(ঙ) নিয়ন্ত্রক, উপ-নিয়ন্ত্রক, সহকারী নিয়ন্ত্রক নিয়োগের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং চাকুরীর শর্তাবলী;

(চ) নিয়ন্ত্রক কর্তৃক পালনীয় অন্যান্য মানদন্ড;

(ছ) কোন আবেদনকারী কর্তৃক অবশ্য পালনীয় নিয়মাবলী;

(জ) লাইসেন্সের মেয়াদ;

(ঝ) আবেদনপত্র দাখিলের ছক;

(ঞ) লাইসেন্স প্রাপ্তির আবেদনপত্রের সহিত প্রদেয় ফিস;

(ট) লাইসেন্স আবেদনপত্রের সহিত সংযোজিতব্য অন্যান্য দলিল;

(ঠ) লাইসেন্স নবায়নের আবেদনপত্রের ছক এবং তজ্জন্য প্রদেয় ফিস;

(ড) ইলেক্ট্রনিক স্বাত্মগর সার্টিফিকেটের জন্য আবেদনপত্রের ছক ও উহার প্রদেয় ফিস;

(ঢ) সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা;

(ণ) আপীল দায়েরের পদ্ধতি;

(ত) তদন্ত্ম পরিচালনা পদ্ধতি;

(থ) প্রয়োজনীয় এমন অন্যান্য বিষয়৷

     প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা

৮৯৷নিয়ন্ত্রক, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে এবং সরকারী গেজেটে এবং তদতিরিক্তঐচ্ছিকভাবেইলেক্ট্রনিক গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রয়োজনীয় ও সংশ্লিষ্টঅন্যান্যবিষয়সহ নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন বিষয়ে প্রবিধান প্রণয়ন করিতেপারিবে, যথাঃ-

(ক) সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপত্মেগর ডিসক্লোজার রেকর্ড সম্বলিত উপাত্ত-ভান্ডার সম্পর্কিত তথ্যাদির বিবরণ;

(খ) নিয়ন্ত্রক কর্তৃক বিদেশী সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপত্মেগর স্বীকৃতি প্রদানের শর্তাবলী ও বাধা-নিষেধ;

(গ) লাইসেন্স মঞ্জুর করিবার শর্তাবলী;

(ঘ) সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপত্মগ কর্তৃক অনুসরণীয় অন্যান্য মানদন্ড;

(ঙ) সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপত্মগ কর্তৃক নির্ধারিত বিষয়ের প্রকাশনার পদ্ধতি; এবং

(চ) আবেদনপত্রের সহিত সংযোজিতব্য বিবরণাদি৷

     মূল পাঠ ও ইংরেজীতে পাঠ

৯০৷ এই আইনের মূল পাঠ বাংলাতে হইবে এবং ইংরেজীতে অনূদিত উহার একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ থাকিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, বাংলা পাঠ ও ইংরেজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ত্মেগত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে৷

       ১ উপান্তটীকা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৪১ নং আইন) এর ২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
২ উপ-ধারা (১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৪১ নং আইন) এর ২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

 

 

[Home]

[Act List]

 

 

 

 

 

তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯

 

( ২০০৯ সনের ২০নংআইন)

 

 

 

[এপ্রিল ৬, ২০০৯] 

 

 

তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের নিমিত্ত বিধান করিবার লক্ষ্যে প্রণীত আইন

 

       যেহেতুগণপ্রজাতন্ত্রীবাংলাদেশের সংবিধানে চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতানাগরিকগণের অন্যতমমৌলিক অধিকার হিসাবে স্বীকৃত এবং তথ্য প্রাপ্তির অধিকারচিন্তা, বিবেক ওবাক-স্বাধীনতার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ; এবং

       যেহেতু জনগণ প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক ও জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক; এবং

       যেহেতুজনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা হইলে সরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ওসংবিধিবদ্ধসংস্থা এবং সরকারী ও বিদেশী অর্থায়নে সৃষ্ট বা পরিচালিতবেসরকারী সংস্থারস্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাইবে, দুর্নীতি হ্রাসপাইবে ও সুশাসনপ্রতিষ্ঠিত হইবে; এবং

       যেহেতু সরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ওসংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং সরকারী ওবিদেশী অর্থায়নে সৃষ্ট বা পরিচালিতবেসরকারী সংস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতানিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিধান করাসমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

       সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-

 

সূচী

 

ধারাসমূহ

 

 

প্রথম অধ্যায়
প্রারম্ভিক

১৷ সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন৷

২৷ সংজ্ঞা৷

৩৷ আইনের প্রাধান্য

দ্বিতীয় অধ্যায়
তথ্য অধিকার, তথ্য সংরক্ষণ, প্রকাশ ও প্রাপ্তি

৪৷ তথ্য অধিকার৷

৫৷ তথ্য সংরক্ষণ৷

৬৷ তথ্য প্রকাশ৷

৭৷ কতিপয় তথ্য প্রকাশ বা প্রদান বাধ্যতামূলক নয়৷

৮৷ তথ্য প্রাপ্তির অনুরোধ৷

৯৷ তথ্য প্রদান পদ্ধতি৷

তৃতীয় অধ্যায়
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

১০৷ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৷

চতুর্থ অধ্যায়
তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি

১১৷ তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠা৷

১২৷ তথ্য কমিশন গঠন৷

১৩৷ তথ্য কমিশনের ক্ষমতা ও কার্যাবলী৷

১৪৷ বাছাই কমিটি৷

১৫৷ প্রধান তথ্য কমিশনার ও তথ্য কমিশনারগণের নিয়োগ, মেয়াদ, পদত্যাগ, ইত্যাদি৷

১৬৷ প্রধান তথ্য কমিশনার ও তথ্য কমিশনারগণের অপসারণ৷

১৭৷ তথ্য কমিশনারগণের পদমর্যাদা, পারিশ্রমিক ও সুবিধাদি৷

১৮৷ তথ্য কমিশনের সভা৷

পঞ্চম অধ্যায়
তথ্য কমিশনের আর্থিক বিষয়াদি

১৯৷ তথ্য কমিশন তহবিল৷

২০৷ বাজেট৷

২১৷ তথ্য কমিশনের আর্থিক স্বাধীনতা৷

২২৷ হিসাব রক্ষণ ও নিরীক্ষা৷

ষষ্ঠ অধ্যায়
তথ্য কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারী

২৩৷ তথ্য কমিশনের সচিব এবং অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী৷

সপ্তম অধ্যায়
আপীল, অভিযোগ, ইত্যাদি

২৪৷ আপীল, নিস্পত্তি ইত্যাদি৷

২৫৷ অভিযোগ দায়ের, নিস্পত্তি ইত্যাদি ৷

২৬৷ প্রতিনিধিত্ব৷

২৭৷ জরিমানা, ইত্যাদি৷

২৮৷ Limitation Act, 1908এর প্রয়োগ৷

২৯৷ মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা৷

অষ্টম অধ্যায়
বিবিধ

৩০৷ তথ্য কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন৷

৩১৷ সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম রক্ষণ৷

৩২। কতিপয় সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য নহে

৩৩৷ বিধি প্রণয়ন ক্ষমতা৷

৩৪৷ প্রবিধান প্রণয়ন ক্ষমতা৷

৩৫৷ অস্পষ্টতা দূরীকরণ৷

৩৬৷ ইংরেজীতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ৷

৩৭। রহিতকরণ ও হেফাজত

 


Share with :

Facebook Twitter